আপডেট : ০৪ December ২০১৮
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের নির্দেশনা চেয়ে ২০-দলীয় জোট সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থের করা রিট আবেদন সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এদিকে ঢাকা-৮ আসনের জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. ইউনুছ আলী আকন্দ জনস্বার্থে ইভিএমের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন দায়ের করেন। এতে নির্বাচনে ইভিএমে ভোটগ্রহণ স্থগিত রাখার আর্জি রয়েছে। বিবাদী করা হয়েছে আইন সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে। আন্দালিব রহমান পার্থের রিট আবেদনের ওপর গতকাল সোমবার শুনানি শেষে বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলাম ও বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ খারিজ করে দেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আহসানুল করিম। সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আল আমিন সরকার। আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি বলেছেন, নির্বাচন পদ্ধতি ও প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের নীতিনির্ধারণী সিদ্ধান্ত। নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর ফলাফল প্রকাশ পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া নির্বাচন কমিশনের বিষয়, যা রিট আবেদনে চ্যালেঞ্জ করা যায় না। এসব বিবেচনায় আদালত রিটটি খারিজ করেছেন। গত ৩০ নভেম্বর ভোলা-১ আসনে ইভিএমের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ করতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর চিঠি পাঠান আন্দালিব রহমান পার্থ। চিঠিতে ইভিএম ব্যবহারের জন্য সরকারি নিয়মে ব্যয় বহনের কথাও বলেন তিনি। নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত না দেওয়ায় তিনি হাইকোর্টে রিট করেন। অপরদিকে ইভিএমে ভোটগ্রহণ স্থগিত চেয়ে করা রিটে বলা হয়েছে, নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার সংবিধানের ৬৫ ও ৯৩ অনুচ্ছেদের পরিপন্থি। গত ৩১ অক্টোবর জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের বিধান রেখে সংশোধিত গণপ্রতিনিধিত্ব (আরপিও) অধ্যাদেশ জারির প্রজ্ঞাপন প্রকাশ হয়। এরপর ঢাকা-৬, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৯, খুলনা-২, রংপুর-৩ ও সাতক্ষীরা-২ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয় নির্বাচন কমিশন।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১