আপডেট : ২৭ October ২০১৮
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ‘৩০ অক্টোবর থেকে নির্বাচনের ক্ষণ গনণা বা কাউন্ট ডাউন শুরু হবে। ২৮ জানুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সে হিসেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) অনুমোদন করলে নভেম্বরে নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা করা সম্ভব হতে পারে।’ আজ শনিবার খুলনায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রদর্শনী উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। সিইসি আরো বলেন, ‘আইনি জটিলতা না থাকলে আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ইভিএম চালু হতে পারে। আর এ জন্যই আইন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা সংসদে উঠবে। সংসদে পাস হলেই ইভিএম চালু হবে। তার আগে ইভিএম নিয়ে জনসচেনতা সৃষ্টির কাজ চলছে। ইভিএম চালু হলেই শুধু হবে না। জনসচেতনতাও প্রয়োজন রয়েছে।’ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সিইসি বলেন, ‘রাজনীতিবিদ যারা ইভিএম নিয়ে বিরোধিতা করে মন্তব্য করছেন তাদের আগে এ প্রযুক্তি ও নির্বাচন সম্পর্কে জানতে হবে। আপনারা এখানে আসেন, পদ্ধতি সম্পর্কে জানেন। তারপর আপনাদের মতামত দেন। আমরা স্বচ্ছ ধারণার মতামত জনতার কাছ থেকে গ্রহণ করে তারপর এ পদ্ধতি বাস্তবায়ন করা না করা সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নিতে চাই।’ প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ ও গণনা সহজ হয়। ব্যালটের নির্বাচনে অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। আর ইভিএম পদ্ধতিতে প্রযুক্তি সম্পর্কে স্বচ্ছ জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। সেটা দায়িত্ব পালনকারীদের জন্য। আর সাধারণ জনতাকে এ পদ্ধতি সম্পর্কে সচেতন হওয়া দরকার। আমরা এখন এ কাজটিই করছি। জনসচেতনতা সৃষ্টি আর আইনি জটিলতার অবসান করেই ইভিএম পদ্ধতি চালু করা সম্ভব হবে।’ তিনি আরো বলেন, ‘বিগত দিনের জাতীয় নির্বাচনে সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আসন্ন নির্বাচনে সেনাবাহিনী থাকতে পারে। তবে তা নির্বাচন কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে। নির্বাচন কমিশন অনুমোদন করলে এবং প্রয়োজন হলে নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার্থে সেনা মোতায়েন করা হতে পারে।’
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১