আপডেট : ০১ November ২০১৯
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের অপসারন দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান অবরোধ-ধর্মঘটের কারণে নিয়মিত ক্লাস-পরীক্ষার পাশাপাশি সাপ্তাহিক সান্ধ্যকালীন কোর্সের ক্লাস-পরীক্ষাও অনুষ্ঠিত হয়নি। শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে যে সব বিভাগে সান্ধ্যকালীন কোর্স চালু আছে সেসব বিভাগের মূল ফটক বন্ধ করে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ফলে সান্ধ্যকালীন কোর্সের কোনো শিক্ষার্থী ক্লাস-পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি। তাই আগত শিক্ষার্থীদের ফিরে যেতে হয়। এদিকে সাপ্তাহিক ছুটিতে ক্যাম্পাসের সকল শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও আন্দোলনকারী কয়েকজন শিক্ষক-শিক্ষার্থীকে পুরাতন প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থিত ‘উপাচার্য অপসারণ মঞ্চে’ অবস্থান করতে দেখা গেছে। গত সপ্তাহ থেকে শুরু হওয়া আন্দোলনকারীদের ধর্মঘট কর্মসূচি ষষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল, মৌন মিছিলসহ নানা কর্মসূচিতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। কয়েকটি বিভাগে ভিসিপন্থী শিক্ষকদের ক্লাস-পরীক্ষা নিতে দেখা গেলেও বেশিরভাগ বিভাগের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ফলে এক ধরনের অচলবস্থায় চলছে জাহাঙ্গীরনগর। আন্দোলনরত শিক্ষক ও ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীনগর’ ব্যানারের মুখপাত্র অধ্যাপক রায়হান রাইন বলেন, সাপ্তাহিক বাণিজ্যিক কোর্সের ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ করার মাধ্যমে সার্বিক শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। আমরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি ন্যায্য দাবি নিয়ে আমাদের এ অবরোধ-ধর্মঘটের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী রাকিবুল রনি বলেন, “অনেকে ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের দীর্ঘমেয়াদী মঙ্গলের জন্য সবাইকে এ আন্দোলনে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন নীলাঞ্জন কুমার সাহা বলেন, “উইকেন্ড কোর্সের ক্লাস করতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা এসেছিলেন। আমরা আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করেছিলাম ক্লাস করতে দিতে, কিন্তু তারা না মানায় ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়নি।”
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১