বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১৮ August ২০১৮

আজ এশিয়ার অলিম্পিক শুরু

এশিয়ার অলিম্পিক শুরু আজ সংরক্ষিত ছবি


এশিয়ার অলিম্পিকখ্যাত এশিয়ান গেমসের পর্দা উঠছে আজ। ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তার জিবিকে মেইন স্টেডিয়ামে এশিয়ার ৪৫টি দেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার অ্যাথলেটকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন ঘোষণা করা হবে ১৮তম এ আসরের। লাল-নীল আলোকছটার সঙ্গে বিখ্যাত সব শিল্পীর সুরের মূর্ছনায় মেতে উঠবেন অ্যাথলেট ও দর্শকরা। দেশটির প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় গেমসের উদ্বোধন করবেন।

‘এনার্জি অব এশিয়া’ স্লোগানে এবারের গেমস দিয়ে এশিয়া ও বাকি বিশ্বকে চমকে দিতে চায় ইন্দোনেশিয়া, চমক দেখাতে চায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও। দ্বিতীয়বারের মতো এশিয়ান গেমসের আয়োজক হওয়া ইন্দোনেশিয়ার লক্ষ্য সফল একটি আয়োজন সম্পন্ন করা।

আগত অতিথিদের ভাষণের পরই শুরু হবে অ্যাথলেটদের মার্চ পাস্ট। যেখানে বাংলাদেশের হয়ে মার্চ পাস্টে লাল-সবুজের পতাকা বহন করবেন এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী ভারোত্তোলক মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। এরপর শুরু নয়নাভিরাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যেখানে পারফর্ম করবেন ইন্দোনেশিয়ার খ্যাতিমান গায়ক আনগুন, রাইসা, তুলুস, এদো কন্দোলোজিত, পুত্রি আইয়ু, ফাতিন, জিএসি, কামাসিয়ান ও ভিয়া ভালেন। অনুষ্ঠানে পারফর্ম করবেন অন্তত ৪ হাজার ড্যান্সারও। মূল কোরিওগ্রাফার ড্যানি মালিক ও ইকো সুপ্রিয়ান্তো। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ১২০ মিটার লম্বা ও ৩০ মিটার প্রস্থ মঞ্চ তৈরি করেছেন বান্দুং ও জাকার্তার আর্টিস্টরা। তবে গেমসের শপথ পাঠ করাবেন সাবেক কোন অ্যাথলেট সে ব্যাপারে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

রাজধানী জাকার্তার সঙ্গে আয়োজক হিসেবে রয়েছে দক্ষিণ সুমাত্রা প্রদেশের রাজধানী পালেমবাং শহর। এ ছাড়া জাকার্তাকে ঘিরে রাখা দুটি প্রদেশের (ব্যান্টেন ও পশ্চিম জাভা) ক্রীড়া মাঠগুলো অতিরিক্ত মাঠ হিসেবে প্রস্তুত রাখা হবে। প্রতিযোগিতার মূল আয়োজক ছিল হ্যানয় ভিয়েতনাম। কিন্তু আর্থিক সঙ্কটের কারণে তারা নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় কপাল খুলে যায় পর্যটকনির্ভর দেশটির। ২০১৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর এশিয়া অলিম্পিক কাউন্সিলের নির্বাহী বোর্ডের সভায় ইন্দোনেশিয়াকে স্বাগতিক হিসেবে মনোনীত করা হয়। মূলত আগামী বছর আয়োজনের সিদ্ধান্ত ছিল এবারের আসরটি। কিন্তু ২০১৯ সালে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য এক বছর এগিয়ে আনা হয় এশিয়ার অলিম্পিক।

এশিয়ান গেমসকে কেন্দ্র করে পুরো জাকার্তা ও পালেমবাং শহর সেজেছে নতুন সাজে। বিমানবন্দর থেকে বেরুতেই চোখে পড়ে নতুন সাজে সাজা জাকার্তাকে। পুরো শহরেই সাঁটানো হয়েছে নজরকাড়া সব ফেস্টুন ও বিলবোর্ড। বিদেশি অ্যাথলেট ও সংবাদকর্মীদের সহযোগিতার জন্য বিমানবন্দরে রয়েছে একঝাঁক ভলান্টিয়ার। যাদের দায়িত্ব আগত অতিথিদের সহযোগিতা করা। প্রচারেও কোনো কমতি রাখেনি দরিদ্র এ দেশটি। সবচেয়ে সফল এশিয়াড উপহার দিতে নিরলস কাজ করে গেছেন দেশটির হাজারো মানুষ। আয়োজক দেশের অন্তত ৬ হাজার কর্মকর্তা ও ১৯ হাজারের মতো ভলান্টিয়ার যুক্ত আছেন গেমসের সঙ্গে। ৩২০ কোটি ডলার বাজেটের এই গেমসে ৪৫টি দেশের প্রায় সাড়ে ১১ হাজার অ্যাথলেট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। ৪০টি ডিসিপ্লিনে মোট ৪৬৫টি ইভেন্টে লড়াই হবে। আর বাংলাদেশ থেকে ১১৭ অ্যাথলেট অংশ নিচ্ছেন ১৪টি ডিসিপ্লিনে।

আজ পুরো এশিয়ার দৃষ্টি থাকবে জাকার্তার জেবিকে স্টেডিয়ামে। এবারের আসরে দক্ষিণ সুমাত্রার রাজধানী পালেমবাং শহরে অনুষ্ঠিত হবে মোট ১১টি ডিসিপ্লিনের খেলা। গেমসের মূল ভেন্যু শহর জাকার্তা। এ ছাড়া ফুটবল অনুষ্ঠিত হচ্ছে পশ্চিম জাভার চিবিনং, বেকাসি, চিকারাং ও সোরেনাংয়ে। গেলোরা বাং কার্নো মেইন স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান ছাড়াও অ্যাথলেটিকস অনুষ্ঠিত হবে। এর আশপাশেই হকি, সুইমিং, বাস্কেটবল, আরচারিসহ অধিকাংশ খেলার ভেন্যু।

 


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১