বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০৮ July ২০১৮

‘চক্রান্তকারীদের গরম ভাতে ছাই পড়েছে’

লোগো ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা’ সংগঠন সংরক্ষিত চবি


কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা’ নামের একটি সংগঠন। গতকাল শনিবার সকালে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে এক সমাবেশে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি মো. সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য  দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক একেএম জামাল উদ্দিন, শহীদ সংসদ সদস্য নুরুল হক হাওলাদারের মেয়ে ও সংগঠনের প্রেসিডিয়াম সদস্য জোবায়দা হক অজন্তা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান জাতীয় সমন্বয় পরিষদ সভাপতি মো. আজিজুল হাসান (এমরান), বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুণ সরকার রানা প্রমুখ।

সমাবেশে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা বলেন, ‘সরকার যখন সরকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা নিয়ে একটি যৌক্তিক পরিণতির দিকে এগোচ্ছে, তখন কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে স্বাধীনতাবিরোধীরা ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের অপচেষ্টা করছে।’ তারা বলেন, ‘সরকার আন্দোলনকারীদের দাবি মেনে নেওয়ায় দেশবিরোধী চক্রান্তকারীদের গরম ভাতে ছাই পড়েছে। তাই তারা কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে সাধারণ ছাত্র নামধারী কিছু দিকভ্রান্ত যুবককে দিয়ে দেশে নৈরাজ্য ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। তারা ‘কোটা সংস্কার চাই’ নামে একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্টে বঙ্গবন্ধু, প্রধানমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কটূক্তি ও বাজে মন্তব্য করছে এবং প্রধানমন্ত্রীকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’ তারা আরো বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী কোটা বাতিলের ঘোষণা দেওয়ার পরও যারা তাকে হত্যার হুমকি দেয়, তাকে নিয়ে নোংরা করুচিপূর্ণ মন্তব্য করে, তারা আসলে কারা? তাদের আসল উদ্দেশ্যই বা কী? এদের গ্রেফতার করে অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং এদের পেছনে কারা ইন্ধন দিচ্ছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে।’

সমাবেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাভিত্তিক প্রশাসন গড়তে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রাখার বিকল্প নেই উল্লেখ করে কোটার যথাযথ প্রয়োগে কমিশন গঠনসহ ৯ দফা দাবি তুলে ধরা হয়। সেগুলোর মধ্যে আছে- জাতির পিতা, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তিকারীদের আইনের আওতায় আনা। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাংবিধানিক স্বীকৃতিসহ মুক্তিযোদ্ধা পরিবার সুরক্ষা আইন করা। ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল রেখে তা বাস্তবায়নে কমিশন গঠন করে প্রিলিমিনারি থেকে কোটা শতভাগ বাস্তবায়ন করা। মুক্তিযোদ্ধা কোটায় চলমান সব নিয়োগ কার্যক্রম অব্যাহত রাখাসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে কোটার শূন্যপদ সংরক্ষণ করে বিশেষ নিয়োগের মাধ্যমে তা পূরণ করা। ১৯৭১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় শূন্যপদগুলোয় চলতি বছরেই নিয়োগ দেওয়া।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১