সাভার প্রতিনিধি:
চক্রবর্তী এলাকায় বেক্সিমকো কোম্পানি মালিক এর নির্দেশে সন্ত্রাসী বাহিনী দ্বারা জোরপূর্বক দখল হওয়া ৪২ শতাংশ জমি পুনরুদ্ধার করেছে জমিটির প্রকৃত মালিক মোঃ আবু জাফর।
২৬/০৮/২৪ ইং তারিখে দুপুরে তিনি তাঁর সকল প্রকার দলিলপত্র ও খাজনা খারিজের কাগজ পত্র নিয়ে এলাকাবাসীর উপস্থিতি ও সহযোগিতায় জমিটি পুনরুদ্ধার করে সাইনবোর্ড ও লাল নিশানা টানিয়ে সিমেন্টের খুঁটি স্থাপন করেন।
এসময় ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার একাধিক সংবাদকর্মী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়।
জমিটির প্রকৃত মালিক মোঃ আবু জাফর সংবাদকর্মীদের উদ্দেশ্য বলেন, আমি আমার জীবনের বিশটি বছর প্রবাসে কাটিয়েছি এবং আমার শেষ উপার্জিত টাকা দিয়ে আমি সারাবো মৌজায় এই ৪২ শতাংশ জমি ক্রয় করি যার বর্তমান মুল্য আনুমানিক আট কোটি চল্লিশ লাখ টাকা । কিন্তু ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বেক্সিমকো কোম্পানির মালিক সালমান এফ রহমানের নির্দেশে ম্যানেজার ইউনুস গং এর নেতৃত্বে জবর দখল করে আমার জমিতে বাউন্ডারি স্থাপন করে ভূমিদস্যুরা । এরপর থেকে আমি পাগলের মত বড় বড় কর্মকর্তাদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছি কোন সুরাহা পাইনি। কোটা সংস্কার বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে দেশ দ্বিতীয়বার স্বাধীন হয়েছে, স্বৈরাচার মুক্ত হয়েছে দখলবাজদের পতন হয়েছে তাই আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি আমার কেনা জমি দখলমুক্ত করতে পেরছি। বিগত দিনে এই জমি বেদখল হওয়ায় আমার কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে। আমি ৪২ শতাংশ জমির ক্রয়ের পর ৩০ শতাংশ জমি প্রিমিয়ার ব্যাংক ডিইপিজেড শাখায় মর্গেজ দিয়ে দেড় কোটি টাকা লোন নিয়েছি সেই লোনের টাকা আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে। আমার এমন ক্ষতিসাধনে আমি প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি এবং তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সমস্ত ক্ষতিপূরণের জোর দাবি জানাচ্ছি।
দীর্ঘদিন আবু জাফরের জমি জবরদখল করে রাখা ভূমি দস্যু সালমান এফ রহমান ও তাঁর পালিত সন্ত্রাসী বাহিনী সম্পর্কে এলাকাবাসী বলেন, শুধু আবু জাফর নয় এরকম হাজারো আবু জাফরের জমি জবরদখল করে বড় বড় মিল ফ্যাক্টরি বানিয়েছেন তাঁরা। সর্বস্ব হারিয়ে ফুটপাতে বসবাস করেছেন অনেকে, ফেলেছেন চোখের পানি। আজ তাদের পতন হয়েছে এখন আমরা এলাকাবাসী অনেক শান্তিতে বসবাস করতে পারবো গরিব অসহায় মানুষেরা তাদের দখলকৃত জমি ফেরত পেয়েছে । আমরা চাই তাদের কঠিন বিচার হোক তারা যেন ভবিষ্যতে আর কারও জায়গা জমি জবরদখল না করতে পারে।
এবিষয়ে বেক্সিমকো কোম্পানি কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে কারো কোন হদিস পাওয়া যায়নি।





