সাইফুল ইসলাম, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)
সিংগাইরের বায়রা ও সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর কাচাই মোল্লার ঘাটে সেতুর অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সেতু দিয়ে পারাপার হচ্ছে দুই উপজেলার অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। বর্ষা মৌসুমে নৌকা, আর শুকনো মৌসুমে বাঁশের সেতুই নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম। শুকনো মৌসুমে কোনোরকম বাঁশের সেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হলেও বর্ষা মৌসুমে নদীর স্রোত তীব্র হওয়ায় নদী পারাপারে জীবনের ঝুঁকি আরও দিগুণ বেড়ে যায়।
জানা গেছে, সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী চরকৃষ্ণপুর, বাহিরচর, বারাইচর, ট্যাটামারা, চরনয়াবাড়ি, গুজরিরচর এলাকায় স্বাস্থ্য, শিক্ষা সেবা, রাস্তা ঘাট অন্নত এবং জেলা সদর থেকে দূরত্ব বেশি হওয়ায় ওই এলাকার লোকজন নিত্যপ্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পারপারাপার হয়ে সিংগাইরে যেতে হয়। আবার বায়রা ইউনিয়নের লোকজন নদীপারাপার হয়ে সল্পসময়ে কমখরচে জেলা সদরে আসা যাওয়া করে থাকে। নদীর পূর্ব পাশে রয়েছে ঐতিহ্যবাহী বায়রা হাট বাজার, চরজামালপুর মাদরাসা, ব্র্যাক প্রাথমিক বিদ্যালয়, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্যাংক। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ, হাট বাজার, হাসপাতালেসহ বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ কাজে যাতায়াত করে থাকে। বিশেষ করে চরম দুর্ভোগর শিকার হচ্ছে শিশু ও বয়োবৃদ্ধরা।
বায়রা ইউপি চেয়ারম্যান দেওয়ান মো. জিন্নাহ লাঠু বলেন, এখানে ব্রিজ নির্মাণের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তাছাড়া, বাঁশের সাঁকোটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ। ইউএনও রুনা লায়লা বলেন, ঝুঁকিপূণ বাঁশের সাঁকো মেরামতে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।





