বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে গ্রাম পুলিশ আটক

ছবি : সংগৃহীত

অপরাধ

বগুড়ার শেরপুরে স্ত্রী হত্যার দায়ে গ্রাম পুলিশ আটক

  • শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৫ জুলাই, ২০১৯

বগুড়ার শেরপুরে স্বামীর লাঠির আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যুর পর মরদেহ নিয়ে হাসপাতালে গিয়ে আত্মহত্যা বলে চালানোর সময় এক গ্রাম পুলিশকে আটক করেছে পুলিশ। আটক গ্রাম পুলিশ গৌতম কুমার শেরপুর উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের সিরাজ নগর নওলাপাড়া গ্রামের মৃত ভোধন চন্দ্রর ছেলে। গতকাল বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গৌতমকে (৩৫) আটক করে পুলিশ। এসময় গৌতমের স্ত্রী পুর্নিমা রানীর (২৮) মরদেহ পুলিশ উদ্ধার করে।

এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, গ্রাম পুলিশ গৌতম দেড় বছর আগে পার্শ্ববর্তী তাড়াশ উপজেলার ধামাইনগর গ্রামের মেয়ে পুর্নিমা রানীকে বিয়ে করে। বিয়ের পর থেকেই স্ত্রীকে পছন্দ না হওয়া নিয়ে তাদের দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল। বুধবার বিকেলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হলে গৌতম তার স্ত্রীকে মারধর করে ঘরে তালা দিয়ে রেখে বাজারে যায়। সন্ধ্যার আগে বাজার থেকে ফিরে এসে স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় দেখে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। সন্ধ্যার পর বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরী বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষনা করেন। পুর্নিমা রানী গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছ বলে স্বামী গৌতম চিকিৎসকে জানান। কিন্তু মরদেহে আঘাতের চিহ্ন থাকায় মেডিকেল কলেজে দায়িত্বরত পুলিশ গৌতমকে আটক করে শেরপুর থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করে।

বিশালপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাকির হোসেন খান বলেন, বিয়ের পর থেকেই বউ পছন্দ না হওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে ঝগড়া বিবাদ চলছিল। বুধবার বিকেলে স্ত্রীকে মারপিট করেছে বলে শুনেছি।

এ ব্যাপারে শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মামলার প্রক্রিয়া চলছে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads