উন্নয়নের সব পরিকল্পনা জনগণের জন্য জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়কে নিজস্ব পরিকল্পনা নিয়ে শুদ্ধাচার বাস্তবায়নেরও নির্দেশ দেন সরকারপ্রধান।
আজ বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর এবং শুদ্ধাচার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিটি মন্ত্রণালয়ে শুদ্ধাচারের বিষয়ে নিজস্ব পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়নের নির্দেশও দেন শেখ হাসিনা। এ সময় দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় অনুষ্ঠানে শুদ্ধাচারের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্তদেরও অভিনন্দন জানান শেখ হাসিনা। এছাড়া দেশের উন্নয়নের সুফল তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশনাও দেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সীমিত সম্পদকে যথাযথ কাজে লাগিয়ে মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। কোভিড মোকাবিলায় সরকারি কর্মকর্তাদের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করার প্রশংসা করেন দেশের সরকার প্রধান। দুর্যোগ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে বলেও জানান সরকার প্রধান।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন,পঁচাত্তরের পর দেশে বিচারহীনতার নজির সৃষ্টি হয়েছিলো, সেই জায়গা থেকে বর্তমান অবস্থায় সরকার দেশকে নিয়ে এসেছে। শেখ হাসিনা আরো বলেন, যে উদ্দেশ্য নিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, সেই আদর্শ ধারন করে আওয়ামী লীগ। এখন সম্পদের সঠিক ব্যবহার হওয়ায় কারো কাছে হাত পাততে হয় না বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।
এসময় তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে এক শ্রেণীর লোকই থাকে যাদের সমালোচনা করাই অভ্যাস। পান থেকে চুন খসলেই নানা কথা বলবে, কিন্তু নিজেরা কিছু করবে না। আমি তো বেসরকারি টেলিভিশন অনেকগুলো দিয়ে দিয়েছি, তারপর আছে বিদ্যুৎ। কাজেই এখন তারা এয়ার কন্ডিশন চালায়, বিদ্যুৎ আছে। আবার ডিজিটাল বাংলাদেশ করে দিয়েছি। তারাই একসময় ডিজিটাল বাংলাদেশ নিয়ে সমালোচনা করেছে। এখন তারা এগুলোই করবে।
প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা সঠিক পথে আছি কিনা সেটা আত্মবিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে। সবাই যখন কাজ করবে আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করবেন। কে কি বলবে, কে কি লিখল তা নিয়ে মাথা ঘামাবেন না। নিজের কাজ নিজে আত্মবিশ্বাস নিয়ে করবেন।





