ফিচার

নতুনত্বের প্রত্যাশায়

  • ইবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ৩ জানুয়ারি, ২০২২

প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির হাজারো গল্পে শেষ হয়েছে পুরোনো বছর। নতুন বছর নিয়ে আসে নতুন প্রত্যাশা এবং পুরোনো সমস্যার সমাধান করে সামনে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। নতুন বছরে সবারই থাকে আলাদা আলাদা কর্মপরিকল্পনা। নতুন বছরে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন—সোহানুর রহমান

 

দরকার সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ

আগামীর আধুনিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য যাত্রায় সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে জিনিসগুলো, তার মধ্যে অন্যতম খাবার পানির সহজলভ্যতা আর পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা। প্রতিটি ফ্যাকাল্টিতে ফুড ভেন্ডিং মেশিনের সহজলভ্যতা চালু করা যেতে পারে। এর স্বয়ংক্রিয় কার্যক্রম ক্যাম্পাসের পরিবেশকে করবে আরো আধুনিক ও উন্নত। এছাড়া ল্যাবভিত্তিক বিভাগগুলোর অনেক ডিপার্টমেন্টেই ল্যাবের সুযোগ-সুবিধা বেশ সীমিত। এই সীমিত মেশিনারিজের ফলে গবেষণা ক্ষেত্র বেশ ধীর এবং অল্প। গবেষণার উন্নতির জন্য এক্ষেত্রে নজর দেওয়া আবশ্যক। সর্বোপরি সবকিছু মিলিয়ে দরকার একটা সুস্থ শিক্ষার পরিবেশ, যেখানে মেধা-মননের সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটবে। পাশাপাশি বাইরের দেশগুলোতে তার প্রয়োগ ঘটানোর পথ আরো সুগম হবে।

নুসরাত তন্দ্রা, ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগ

 

ই-লাইব্রেরি চালু করা হোক

ইবি আধুনিক ও শিক্ষার্থীবান্ধব একটি শিক্ষালয় হবে তেমনটাই আমার প্রত্যাশা। মহামারির কারণে শিক্ষা কার্যক্রমে প্রায় দুই বছরের যে ক্ষতি হয়েছে তা পূরণ করতে চার মাসে সেমিস্টারের ব্যবস্থা করা হোক। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে লাইব্রেরি ব্যবস্থার আধুনিকায়ন করে ই-লাইব্রেরি আগামী বছরই চালু করা হোক। প্রতি বছর নতুন নতুন বইয়ের সংগ্রহ বাড়ানোর ব্যবস্থা করা হোক। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম ডিজিটালাইজড করা প্রয়োজন, যাতে স্বল্প সময়ে শিক্ষার্থীরা ঝামেলাবিহীনভাবে সব ধরনের কার্যক্রম করতে পারে। চাই নতুন বছরে হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পুষ্টিকর খাদ্য পরিবেশন নিশ্চিত এবং উন্নতমানের ক্যান্টিন চালু করা হোক।

সামিউল উদয়, ল’ অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগ

 

বিশ্বমানের গবেষণায় অগ্রসরতা চাই

প্রতিষ্ঠালগ্ন বিবেচনায় দেশের মধ্যে বেশ পুরোনো এই বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়নের গতি কিছুটা ধীর। নেই পর্যাপ্ত আবাসন এবং গবেষণার সুযোগ। সাংস্কৃতিক চর্চার দিক থেকেও বেশ পিছিয়ে আমরা। আগামী বছরগুলোতে আশা থাকবে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা এবং গবেষণার দিকে আরো বেশি অগ্রসর হবে প্রাণপ্রিয় এই বিদ্যাপীঠ। একইসাথে পর্যাপ্ত ক্লাসরুম এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থার সমাধান করা হবে। যেন সুন্দর পরিবেশে বিশ্বমানের শিক্ষা সুনিশ্চিত করা সম্ভব হয়।

মারিয়া তানজিম, উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগ

 

দ্রুতগতির ইন্টারনেট ব্যবস্থা প্রয়োজন

বিশ্ববিদ্যালয় হলো মুক্তচিন্তার এক অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র। আর মুক্ত মতপ্রকাশের অন্যতম মাধ্যম এখন ইন্টারনেট। নতুন বছরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আমার প্রত্যাশা থাকবে ক্যাম্পাসজুড়ে দ্রুতগতির ওয়াইফাই ব্যবস্থা নিশ্চিত করা। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের পরিবহন সমস্যা সমাধানে প্রশাসনের কাছে প্রত্যাশা থাকবে পরিবহনের সংখ্যা বাড়িয়ে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি থেকে রক্ষা করা। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়কে অসুস্থ রাজনীতি মুক্ত, ছাত্রবান্ধব ও বিশ্বমানের শিক্ষাবান্ধব একটি সুস্থ বিদ্যাপীঠ গড়ে তোলা হোক।

মাথিয়া ঐশি, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads