চবিতে 'বঙ্গবন্ধু বইমেলা' শুরু

ফাইল ছবি

শিক্ষা

চবিতে 'বঙ্গবন্ধু বইমেলা' শুরু

  • চবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত ২৮ এপ্রিল, ২০১৯

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি)'বঙ্গবন্ধু বইমেলা-১৯' উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ থেকে থেকে শুরু হয়ে  এ মেলা চলবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। আজ রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্ত্বরে বইমেলার উদ্বোধন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

চবির বঙ্গবন্ধু চেয়ার,  বিশ্ববিদ্যালয়  প্রশাসন এবং চট্টগ্রাম সৃজনশীল  প্রকাশক পরিষদ'র যৌথ উদ্যাগে এ মেলা হয়।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম শতবার্ষিকীকে এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শিক্ষকের গবেষণা জার্নাল ও অনুষদ ভিত্তিক জার্নালসহ বিভিন্ন রেফারেন্সের বই পাওয়া যাচ্ছে। এ বইমেলায় দেশের স্বনামধন্য প্রায় ৪৪টি প্রকাশনা অংশগ্রহণ করেছে। এতে বিভিন্ন তরুণ লেখক ও বিশিষ্টজনদের লেখা বই ও জার্নালসহ চবি শিক্ষার্থীদের লেখা বই পাওয়া যাচ্ছে।

উদ্বোধন শেষে বুদ্ধিজীবী চত্ত্বরে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী।

উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, এই বই মেলার মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীর কর্মসূচি আমরাই প্রথম সূচনা করলাম। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কী পরিমাণ বই প্রেমিক ছিল তা আমরা বঙ্গবন্ধুর কারাগারের রোজনামচা পড়লেই বুঝতে পারি।

তিনি বলেন,বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণ। বিশ্বের অন্যান্য নেতাদের ভাষণ ছিল লিখিত। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য লিখিত ছিল না। বঙ্গবন্ধুর নাম ভাঙ্গিয়ে যারা দুর্নীতি করে তাদের বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার পরামর্শ দেন।

রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কেএম নুর আহমদের সভাপতিত্ব ও আয়োজনটির সমন্বয়ক ও যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মাধব দীপের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন চবি জীব বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মাহবুবুর রহমান, সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. ফরিদ উদ্দিন আহমেদ, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের প্রফেসর ড. আওরঙ্গজেব, আইটি অনুষদের ডিন শংকর লাল সাহা এবং সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক জামাল উদ্দিন।

আলোচনা সভায় মুখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ও গবেষক ড. ভূঁইয়া ইকবাল ও আলোচক হয়ে হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মহীবুল আজিজ।

এসময় বক্তারা বলেন,  বই মেলা আমাদের প্রাণের মেলা কিন্তু আমাদেরকে কতগুলো দিক সতর্কতার সাথে দেখতে হবে। বর্তমানে উপযুক্ত সম্পাদক, প্রুফ রিডারের অভাবে বইয়ের মান রক্ষা করা সম্ভব হয় না।

 তিনি বলেন,  প্রতিবছর প্রচুর বই প্রকাশ হয় কিন্তু পাঠক সে অনুযায়ী বই পড়ে না। আমাদেরকে পাঠক বান্ধন  লাইব্রেরি, প্রকাশনী করতে হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলা একাডেমি ১০০টি বই প্রকাশ করতে চাচ্ছে। যদি মান রক্ষা করতে পারে তাহলে সেটা হবে আমাদের জন্য অনেক বড় পাওয়া।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার শিক্ষক-শিক্ষার্থী রয়েছে কিন্তু এখানে তেমন বইয়ের দোকান নেই। এ বিষয়টা আমাদেরকে দেখতে হবে। বই পড়ার কোন বিকল্প নেই। আমি আশা করি এ মেলা শিক্ষার্থীদের বই পড়ায় আগ্রহ বাড়াতে সহায়তা করবে।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads