রাজধানীর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা রেনু নামে এক নারীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার প্রধান আসামি হৃদয় প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ১৬ জনের নাম জানিয়েছে।
আজ বুধবার ডিএমপি সদর দপ্তরে এ বিষয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার আব্দুল বাতেন।
মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) এডিশনাল কমিশনার আবদুল বাতেন বলেন, হত্যার পরই নারায়ণগঞ্জের ভুলতায় পালিয়ে যায়। গ্রেপ্তার এড়াতে মাথার চুল ন্যাড়া করে ফেলে। সে ঢাকায় তার নানির সঙ্গে থাকতো। নানিকে সে বলে, তার জামাকাপড়গুলো পুড়িয়ে ফেলতে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের ভুলতা থেকে আমরা হৃদয়কে গ্রেপ্তার করি এবং তার ব্যবহৃত কাপড়গুলো উদ্ধার করি।
হৃদয় ছাড়াও এর আগে বাড্ডা ও উত্তর বাড্ডা এলাকা থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির বাড্ডা থানা পুলিশ। এদের মধ্যে শাহীন (৩১), বাচ্চু মিয়া (২৮), বাপ্পী (২১), আবুল কালাম আজাদ (৫০) ও কামাল হোসেন (৪০) চারদিনের রিমান্ডে রয়েছেন। জাফর নামে একজন দোষ স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।
এর আগে, গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে নারায়ণগঞ্জের ভুলতা থেকে হৃদয়কে গ্রেপ্তার করে ডিএমপির গোয়েন্দা পূর্ব বিভাগের অবৈধ মাদক উদ্ধার ও প্রতিরোধ টিম। তার বাড়ি উত্তর বাড্ডার হাজিপাড়ায়।
উলেখ্য, শনিবার (২০ জুলাই) সকালে উত্তর বাড্ডায় ছেলেধরা সন্দেহে তাসলিমা বেগম রেনুকে পিটিয়ে আহত করে বিক্ষুব্ধ জনতা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় ওইদিন বাড্ডা থানায় ৪০০-৫০০ জন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাগনে নাসির উদ্দিন।





