শোবিজ

কোচের সাফল্যে গর্বিত লিজা

  • অভি মঈনুদ্দীন
  • প্রকাশিত ২৯ অগাস্ট, ২০১৯

এ সময়ের একজন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তার অসাধারণ গায়কির পাশাপাশি স্টেজ শোতে নান্দনিক পারফরম্যান্স দিয়ে দর্শক-শ্রোতাকে মুগ্ধ করেন। তাই বছরজুড়েই দেশ-বিদেশে তাকে স্টেজ শো নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাতে হয়। গানের ভুবনে দারুণ ব্যস্ত সময় কাটাতে হয় বিধায় তার প্রিয় খেলা ব্যাডমিন্টনে আর মনোযোগ দেওয়া হয়ে ওঠে না। যদি মনোযোগী হতেন, তাহলে আগামী ডিসেম্বরে নেপালে শুরু হতে যাওয়া সাফ গেমসে অনায়াসে যোগ দিতে পারতেন লিজা। কিন্তু তা আর হচ্ছে না।

তবে ব্যাডমিন্টনে যে লিজার দারুণ সম্ভাবনা ছিল, সে কথা অনায়াসে স্বীকার করেন লিজার কোচ মারুফ আলম, যিনি সম্প্রতি ব্যাডমিন্টনে লেভেল টু সম্পন্ন করেছেন মালয়েশিয়া থেকে। ব্যাডমিন্টন খেলায় একজন কোচের লেভেল টু সম্পন্ন করাকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বড় দক্ষতা হিসেবে কিংবা অর্জন হিসেবে গণ্য করা হয়। নিজের কোচের এমন সাফল্যে গর্বিত লিজা।

লিজা বলেন, ‘মারুফ ভাইয়ের কাছে দীর্ঘ ছয় মাস আমি ব্যাডমিন্টন প্র্যাকটিস করেছি। তার আওতায় ব্যাডমিন্টন খেলায় নিজেকে দক্ষ করে তুলেছিলাম। কিন্তু গান এবং খেলা দুটো একসঙ্গে পেরে ওঠা খুব কঠিন। তা না হলে হয়তো আগামী সাফ গেমসে আমি অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করতাম এবং আমার বিশ্বাস ছিল আমি পারতাম। দেশের জন্য সম্মান বয়ে আনতে পারতাম। আমি গর্বিত মারুফ ভাইয়ের জন্য, কারণ তিনি এরই মধ্যে একজন কোচ হিসেবে লেভেল টু সম্পন্ন করেছেন। এটা আন্তর্জাতিকভাবে অনেক বড় যোগ্যতা অর্জন। তার এই সাফল্যে তারই শিক্ষার্থী হিসেবে আমি সত্যিই অনেক অনেক গর্বিত। আমার বিশ্বাস, তার আওতাধীন যারা এখন আগামী সাফ গেমসের জন্য প্র্যাকটিস করছেন, তারা সাফল্য ছিনিয়ে আনবেন।’

মারুফ আলম বলেন, ‘লিজা আমার অত্যন্ত স্নেহভাজন। লিজা দারুণ একজন ব্যাডমিন্টন প্লেয়ার। চেষ্টা করলেই এখানে অনেক বড় সফলতা পেত। কিন্তু গানের প্রতিই তার ভালোবাসা বেশি। তাই দুটো একসঙ্গে তার করা হয়ে উঠল না বিধায় ব্যাডমিন্টনে তাকে চূড়ান্তভাবে পাওয়া গেল না। তবে আশা রাখছি, ভবিষ্যতে আমরা তাকে পাব ব্যাডমিন্টন খেলায়।’

মারুফ আলম আগামী ডিসেম্বরে নেপালে অনুষ্ঠেয় সাফ গেমসের জন্য ব্যাডমিন্টনে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। ১৯৯৪ সাল থেকে মারুফ আলম পেশাগতভাবে ব্যাডমিন্টন খেলে আসছেন। অনূর্ধ্ব-১৬তে সারা দেশে টানা তিনবার, অনূর্ধ্ব-১৮তে একবার সিঙ্গেল ও ডাবল চ্যাম্পিয়ন, স্কুল ব্যাডমিন্টনে টানা তিনবার চ্যাম্পিয়ন, এশিয়ান গেমসে (জুনিয়র চ্যাম্পিয়নশিপ) টানা পাঁচবার অংশগ্রহণ, ১৯৯৭ সালের সাফ গেমসে অংশগ্রহণসহ ব্যাডমিন্টনে তার আরো অনেক সাফল্য রয়েছে। ব্যাডমিন্টনে তিনি ২০১২ সালে লেভেল-১ সম্পন্ন করেন বাংলাদেশ থেকে। ২০১০ সাল থেকে তিনি ব্যাডমিন্টন ফেডারেশনের নিমন্ত্রণে কোচ হিসেবে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads