সাইফুল ইসলাম, সিংগাইর প্রতিনিধি:
মানিকগঞ্জের সিংগাইরে মোবারক ও শিলা দম্পত্তির পায়ের নিচে একদম মাটিনেই মাথার উপর ছাদনেই নিঃস্ব দম্পত্তি দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোথাও ঠাই হয়নি । অর্থে কষ্টে জীবন চলে শিলা দম্পত্তির । কিডনি ও হার্টের রোগে আক্রান্ত মোবারক স্ত্রী শিলা কে নিয়ে দূর্বিষহ জীবন জীবিকা নির্বাহ করছেন। তিনি সিংগাইর উপজেলার বকচর গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের ছেলে।
জানা যায় উপজেলার পৌরসভার বকচর গ্রামের মোবারকের একসময় মাথা গোজার ঠাই ঘর বাড়ি সবই ছিল তার। তার চাচাত ভাই ছেকা মিয়া তার পিতার রেখে যাওয়া ভিটে বাড়ীর জায়গাটুকু ষড়যন্ত্র করে লিখে নেন । এরপর থেকে আজ এখানে কাল ওখানে ভাসা পানার মত ভাসতে থাকে। একসময় চট্টগ্রাম ষ্টীল মিলে চাকরি করতেন। স্ত্রী সন্তান নিয়ে ভালই চলছিল তার জীবন । কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়ে স্ত্রী পারা যায়। এক ছেলে ছিল এখন বিয়ে সাদি করে চট্টগ্রাম শহরে থাকে। মোবারক দীর্ঘদিন একাকী জীবন যাপন করার পর শিলা নামে এক মেয়ে কে বিবাহ করেন । দিনে ইটের ভাটায় কাজ করি আর রাতে টাওয়া পাহারার কাজ করি। যা ইনকাম করেন তা দিয়ে স্ত্রীও ভাড়া বাসায় থাকতাম৷ কিন্তু এখন বয়স হয়েছে ্সত্তরে উপরে কিডনি হার্টের রোগের ঔষধ পত্র কিনতেই হিমশিম খাই। বাসা ভাড়া আবার থাকবো কিবাবে । বাধ্য হয়ে টাওয়ারে স্ত্রী ও আমি বসবাস করছি৷ এক যুগেই বেশি হয়ে গেল এখানে বসবাস করছি । স্ত্রী শিলা বলেন জীবনে সুখ হইলো না, প্রথমে বিবাহ হয়েছিল, সে স্বামী মদ গাঁজা , নেশা করতো, অত্যাচার করতো ভাত কাপড় দিত না, যে কারণ সংসার করা হয়নি৷ পরে এর সাথে বিবাহ হয়। তারও বাড়ী ঘর কিছুই নেই, দিন আনে দিন খায় এখন বয়স হয়েছে । আগের মত আর কাজ কর্ম করতে পারেনা। যা ইনকাম হয় তা ভাড়া থাকতে গেলে একবেলা খেয়ে আরেক বেলা নাখেয়ে থাককতে হবে। এছাড়া হাট ও কিডনি রোগী। প্রতিদিন দামি দামি ঔষধ খেত হয়। উপায়ান্ত না পেয়ে এইখানে বস বাস করি৷ জমি সহ একটা ঘর পাইলে আমার আর আশ্রয়হীন হতে হতোনাএকটা ঠাই হতো। শেখ হাসিনা কতজন কে ঘর দিলো মেম্বার চেয়ারম্যান খবর নিলনা। মেম্বার চেয়ারম্যান , এমপিরা শুধু ভোটের সমায় আসে।





