আপডেট : ১৮ May ২০২৪
সারাদেশে চলমান তাপপ্রবাহ কিছুটা কমে এসেছে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তা আরও প্রশমিত হতে পারে। এরপর সারাদেশে বৃষ্টির দাপট থাকবে। এ সময়ের মধ্যেই বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ তৈরির পূর্বাভাস রয়েছে। আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির শনিবার (১৮ মে) বিকেলে গণমাধ্যমকে জানান, সাধারণত মে ও জুন মাসে বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়ে থাকে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০ তারিখের পরবর্তী সময়ে একটি লঘুচাপ তৈরি হতে পারে। এটি আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হওয়ার আগ পর্যন্ত এর গতিবিধি ও প্রভাব সম্পর্কে এখনই কিছু বলা যাবে না। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। এদিকে ভারতের আবহাওয়া অফিস বলছে, ভারতের তামিলনাড়ুর দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলের কাছাকাছি একটু ঘূর্ণিবার্তা হওয়ার প্রক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। আগামী সাত দিনে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের মে মাসে বাংলাদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। সুন্দরবনের কারণে সে যাত্রায় রক্ষা পেয়েছিল দেশের উপকূল। এর আগে ২০০৯ সালের মে মাসেই সুন্দরবনে আঘাত হেনেছিল প্রলয়ঙ্করী আইলা।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, লঘুচাপটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। ঘূর্ণিঝড়টি সৃষ্টি হলে এর নাম হবে ‘রেমাল’। চলতি মাসের শেষের দিকে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে পারে।
আরেক আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। লঘুচাপ এখনও সৃষ্টি হয়নি। তাই আমরা এখনই ঘূর্ণিঝড়ের কথা বলতে পারি না। তবে আমরা পর্যবেক্ষণ করছি।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১