আপডেট : ০৯ November ২০২৩
এম এ বাবর, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বেশ কিছুদিন উত্তপ্ত দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন। নিজেদের লক্ষ্যে পৌঁছাতে ভিন্ন-ভিন্ন কৌশল নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি। যদিও বিএনপি’র কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের অধিকাংশ নেতাকর্মীই এখন বাসায় ঘুমাতে পারছেন না। এমন পরিস্থিতিতে ‘ডু অর ডাই’ মনোভাব নিয়েই আন্দোলন করছেন তারা। একই সাথে গার্মেন্টস শ্রমিকদের অসন্তোষ ঘিরে আরো তৈরি হয়েছে নতুন শঙ্ক। এর মধ্যে দ্রব্যমূল্যের অস্থিতিশীলতা, প্রবাসী-আয় কমে যাওয়া ও সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকার বিরোধী নানা প্রচারণা মোকাবিলা করতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। সরকারের পদত্যাগ ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এক দফার আন্দোলনে ধারাবাহিক কর্মসূচিতে রয়েছে রাজপথের প্রধান বিরোধী দল বিএনপি। হরতালের পর তিন দফায় ৭দিন (আজসহ) অবরোধ পালন করেছে বিএনপি ও সমমনা দল। শুক্র ও শনিবার বিরতি দিয়ে রোববার থেকে আসছে বিরোধী দলগুলোর লাগাতার কর্মসূচি। আগামী নির্বাচন নিয়ে বিদেশিদের চাপ আর রাজনৈতিক উত্তাপ সামাল দিয়ে আগামী নির্বাচন সম্পন্ন করা সরকারের জন্য এখন বড় চ্যালেঞ্জ। বিরোধী দলের কর্মসূচির মধ্যে ব্যাপক ধরপাকড়ের পরেও আন্দোলন ক্রমান্বয়ে বেগবান হচ্ছে। দলীয় সূত্র জানায়, চ‚ড়ান্ত পর্যায়ের এই আন্দোলন শুরুর আগে এসব ঘটনা ঘটতে পারে সে বার্তাও তৃণমূল পর্যন্ত ছড়িয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ফলে আগে থেকেই আন্দোলনের একাধিক পরিকল্পনা সাজিয়ে মাঠে নেমেছেন তারা। বিশেষ করে এবার কেন্দ্রীয় নেতার পরিবর্তে মধ্য সারি এবং তৃণমূলের নেতাদের মাধ্যমে আন্দোলন-কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে দলটি। ফলে আন্দোলন দমনে সরকারের কোন কৌশলই কাজে আসছে না। বিএনপি সূত্র জানায়, গত ২৯ অক্টোবর সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে গুলশানের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ওই দিন রাতে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপর গত ৩১ অক্টোবর রাতে রাজধানীর শাহজাহানপুরের নিজ বাসা থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন তাকে আদালতে তোলা হয়। একই দিন দলের যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে আদালত তাদের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। অন্যদিকে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ কনস্টেবল আমিরুল হক হত্যা মামলায় শুক্রবার তাকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মহানগর মুখ্য হাকিমের (সিএমএম) আদালত আমীর খসরুকে ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। গত এক মাসের বেশি সময় ধরে কারাগারে আছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহŸায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি আমানউল্লাহ আমান। দুর্নীতির মামলায় দÐপ্রাপ্ত আমান গত ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকার ১ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে আদালতের বিচারক আবুল কাশেম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসা থেকে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মজিবুর রহমান সারোয়ারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন শুক্রবার তাকে আদালতে তোলা হলে রাজধানীর পল্টন থানায় হওয়া মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকনকে ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশর আগেই গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২৬ অক্টোবর ভোরে রাজধানীর সিপাহীবাগের নবীনবাগ ক্যান্ট রেস্টুরেন্টের বিল্ডিংয়ে অবস্থিত ভাইয়ের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। নরসিংদী ছাত্রদল নেতা সাদেকসহ জোড়া খুনের মামলায় ওই দিনই তাকে জেলা আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর গুলশান এলাকা থেকে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন শুক্রবার তাকে আদালতে তোলা হয়। শুনানি শেষে আদালত তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য ও দলটির প্রকাশনা সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানীকে গত ১০ অক্টোবর রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন ১১ অক্টোবর তাকে আদালতে পাঠানো হলে পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে বর্তমানে কারাগারে আছেন বিএনপির এ নেতা। গত আগস্ট মাস থেকে কারাগারে আছেন বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক সালাহ উদ্দিন আহমেদ। গত ৩ আগস্ট তাকে ভাঙচুর ও নাশকতা সৃষ্টির পৃথক দুই মামলায় গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরের দিন ৪ আগস্ট সালাহ উদ্দিনকে আদালতে তোলা হলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক। গত ২ নভেম্বর বুধবার মধ্যরাতে রাজধানীর গুলশানের একটি বাসা থেকে রাজধানীর গুলশান থেকে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব ও জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক আমিনুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন বৃহস্পতিবার তাকে আদালতে তোলা হলে তার ৮ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আমিনুলের সঙ্গে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সদস্যসচিব সাজ্জাদুল মিরাজ ও সদস্য গোলাম কিবরিয়াকেও আট দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমরকে শনিবার মধ্যরাতে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি) রাজধানীর একটি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। দলের আরেক ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাব হোসেন চৌধুরীকে আটক করেছে র্যাব। দ্বিতীয় দফায় বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ শুরু হওয়ার আগে রোববার ভোরে টঙ্গী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সকে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বাড্ডায় তার বোনের বাসা থেকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। নতুন ও পুরাতন মামলায় বিএনপি’র এতসব শীর্ষ নেতা কারাগারে থাকলেও দলের আন্দোলন কার্যক্রমে চলছে এক নতুন গতিতে। তফশিলের আগেই একদফা দাবি আদায় করতে চান বিএনপি ও সমমনা দলগুলো। নেতারা জানান, সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দৃঢ় মনোবল রয়েছে। তারা গ্রেফতার হলে মাঠে থেকে হতে চান। এখন আর কঠোর আন্দোলন থেকে সরে আসার কোনো সুযোগ নেই। তাই সার্বিক পরিস্থিতিতে বিরোধী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করা এখন সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাড়িয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীদলের ডাকা অবরোধের মধ্যে রাজধানীতে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলন সার্বিক পরিস্থিতে নতুন শঙ্কা তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে পাঁচ শতাধিক গার্মেন্টস বন্ধ হয়ে গেছে। দেশের সবচেয়ে বড়ো রপ্তানিখাত তৈরি পোশাক শিল্পে মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে শ্রম অসন্তোষের জেরে একের পর এক পোশাক কারখানা বন্ধ হচ্ছে। প্রায় দ্ইু সপ্তাহ আন্দোলনের পর মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিকেলে সচিবালয়ে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে তৈরি পোশাক শিল্পের শ্রমিকদের মজুরি সাড়ে ১২ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়। কিন্ত্র পোশাক শ্রমিকরা তা প্রত্যাখ্যান করে তাদের তাদের আন্দোলন চলমান রয়েছে। সরকার বা মালিকপক্ষ গত দুই সপ্তাহে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারেনি। পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলন ভিন্নখাতে নেয়ার অপচেষ্টা করছে বলে দাবি করছে ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, ন্যায্য মজুরি নির্ধারণের জন্য ইতোমধ্যেই কাজ শুরু করেছে মজুরী বোর্ড। কিন্তু নির্বাচন সামনে রেখে শ্রমিকদের আন্দোলন ভিন্নখাতে নেয়ার অপচেষ্টা চলছে। বিকেএমইএ নির্বাহী সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, শ্রমিক নামে যারা আন্দোলনে নেমেছে, চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলবো এরা শ্রমিক না। কারণ ওই কারখানার শ্রমিক তো ফ্যাক্টরির ভেতরে। বা ওই অঞ্চলের কোনো শ্রমিক কিন্তু নামেনি। আন্দোলনটাকে রাজনীতিকি করণের জন্য, ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য এটা অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। হরতাল ও রাজনৈতিক অবরোধের কারণে এমনিতেই এই খাতের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, তার ওপর টানা শ্রমিক অসন্তোষে বড়ো ঝুঁকির মধ্যে পড়ছে এই শিল্পটি। যা সামাল দেয়া এ সময়ে সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে পরেছে। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিএনপি নতুন করে আবার অগ্নিসন্ত্রাস করতে নেমেছে, তারা মানুষ পুড়িয়ে মারার জন্য আবার নেমেছে। সরকারকে বেকায়দায় ফেলায় বিএনপি’র কোন কৌশল আওয়ামী লীগকে ঠেকাতে পারবে না। বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বিরোধীদের নাশকতা মূলক এসব কর্মকান্ড মোকাবিলা করা চ্যালেঞ্জ মনে করছে না সরকার। অগ্নিসন্ত্রাসী, লুটেরা, দুর্নীতিবাজরা আর যাই হোক- বাংলাদেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে আগামী দ্বাদশ নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাদের (বিএনপি) প্রতিহত করে একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচনে শেখ হাসিনাকে আবার নির্বাচিত করে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব।
গত ২৮ অক্টোবরের মহাসমাবেশের আগে পরে বিএনপির বেশ কয়েকজন কেন্দ্রীয় নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বর্তমানে দলটির অধিকাংশ কেন্দ্রীয় নেতাই রয়েছেন কারাগারে। তবে দলের কেন্দ্রীয় নেতারা কারাগারে থাকলেও তাদের আন্দোলনে কোন প্রভাব পরেনি।
গত ৫ নভেম্বর রোববার দিবাগত রাত ১২টার পরপর গোয়েন্দা পুলিশ পরিচয়ে ১৫-২০ জনের একটি দল বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে ক্যান্টনমেন্টের একটি বাসা থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তাকে রমনা থানার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সোমবার (৬ নভেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শামসুজ্জামান দুদুকে ৩ দিনের রিমান্ডে পাঠায়।
এদিকে ক্রমান্বয়ে প্রবাসী-আয় কমে যায়াও দেশের অর্থনৈতিক বড় ঝুঁকিতে আছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকরা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সোশ্যাল মিডিয়াসহ মাইকিং করে, সভা করে এবং বিভিন্ন কায়দায় শ্রমিকদেরকে বৈধ পথে টাকা পাঠাতে নিরুৎসাহিত করছে। বরং হুন্ডি ব্যবসার মাধ্যমে প্রবাসী ভাইদেরকে দেশে তার স্বজনদের কাছে টাকা পাঠানোর জন্য রীতিমতো ক্যাম্পেইন করছে। এর ফলে গত কয়েক মাসে উদ্বেগজনকভাবে প্রবাসী-আয় কমেছে। যদিও অক্টোবরের সেই ধারা কিছুটা হলেও ফিরে এসেছে। তবে সামনে দিনগুলোতে বিএনপি-জামায়াতের এ সংক্রান্ত তাদের নেটওয়ার্ক আরও জোরদার করেছে বলে জানা গেছে। এর ফলে একদিকে যেমন বৈধ পথে রেমিট্যান্স আসছে না ফলে সরকার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এই কৌশলের ফলে সরকার বড় ধরনের অর্থনৈতিক সংকটে পড়বে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।
এদিকে বাজারে সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছে এবং সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জিনিসপত্রের দাম অস্থিতিশীল হয়ে আছে। এটিও বিএনপি-জামায়াতের একটি কৌশল বলে মনে করছে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী। কারণ খাতুনগঞ্জ সহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারগুলোর নিয়ন্ত্রক হলো বিএনপি-জামায়তের ব্যবসায়ীরা। এর ফলে মানুষের ক্ষোভ তৈরি হচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকারের ওপর। সংশ্লিষ্টরা মনে করছে এই কৌশলটি গত কিছুদিন ধরে সরকার বিরোধীরা সফলভাবে প্রয়োগ করেছে। বাজারে এখন অস্থির পরিস্থিতি। আলু, পেঁয়াজ ডিম সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের চরম উচ্চমূল্য। যা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলেছে। এ পরিস্থিতি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছেন বলে মনের করছেন অনেকে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১