আপডেট : ২৪ October ২০২৩
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি : শারদীয় দুর্গাপূজার শুভ বিজয়া দশমী, প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই ধর্মীয় উৎসব। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকতে প্রতিমা বিসর্জন চলছে। প্রতি বছরের মতো এবারও পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ছাড়াও অভয়মিত্র ঘাট, বারুণী স্নান ঘাট, কর্ণফুলী নদীর বিভিন্ন ঘাট, কাট্টলী সৈকত, কালুরঘাটসহ বিভিন্ন এলাকার পুকুর, দীঘিতে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। উৎসবমুখর পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিমা বিসর্জন আর ঢাক, ঢোল বাজিয়ে দুর্গা মাকে বিদায় জানাল ভক্তরা। মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর থেকে পতেঙ্গা সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন শুরু হয়। বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রতিমা মণ্ডপ থেকে আনতে একটু সময় লাগছে। ১৬ থানার তিন শতাধিক প্রতিমা এখানে বিসর্জন দেওয়ার কথা রয়েছে। এ বছর নগরের জেএমসেন হলসহ ১৬ থানায় ব্যক্তিগত ও ঘট পূজাসহ ২৯৩টি পূজামণ্ডপ এবং চট্টগ্রাম জেলার ১৫ উপজেলায় ২ হাজার ১৭৫ মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুর্গতিনাশিনী দেবী দুর্গা ধরাধামে এসেছিলেন ঘোড়ায় চড়ে, ফিরছেন একই বাহনে। মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য বলেন, সাত নম্বর সতর্কতা সংকেত চলছে। বৃষ্টিও পড়ছে। তাই সুবিধাজনক স্থানে প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সকালে বিহিত পূজার মধ্যে দিয়ে বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর দর্পণ বিসর্জনের মাধ্যমে প্রতীকী রূপে দেবী দুর্গাকে বিসর্জন দেয়া হয়। পরে ঘট বিসর্জন দেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। দেবীর চরণে সিঁদুর দেয়ার আনুষ্ঠানিকতা পালন করেন বিবাহিত নারীরা। তাদের বিশ্বাস দেবীর পায়ে সিঁদুর দেয়ার মাধ্যমে সারা বছর স্বামীর কল্যাণ হবে। দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শেষে নৌকায় করে কৈলাসে ফিরবেন দুর্গাদেবী। বিষাদের সুর থাকলেও ভক্তদের আশা, স্বামী গৃহে যাবার আগে পৃথিবীকে রোগ শোক মুক্ত করবেন দুর্গাদেবী।
পতেঙ্গা সৈকতে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ প্রশাসন প্রতিমা বিসর্জনে সহায়তা করছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, মেডিক্যাল, ফায়ার সার্ভিস, রেড ক্রিসেন্টের টিমও রয়েছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১