বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ৩০ August ২০২৩

রাস্তার জায়গা দখল করে দুই প্রভাবশালীর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ


কাহালু ( বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার কাহালু উপজেলার বামুজা - পাঁচপীর ভায়া নিশ্চিন্তপুর রাস্তার জায়গা দখল করে বামুজা গ্রামের দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইট দিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার অভিযোগ উঠেছে। অবৈধ ভাবে রাস্তা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করার প্রতিযোগিতায় মেতে উঠেছেন তাঁরা। ফলে ঐ রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

প্রতাপপুর থেকে নিশ্চিতপুর ২ কিলেমিটার রাস্তাটি পাকা করণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে রাস্তার বেড ইটের খোয়া দিয়ে লেভেল করা হয়েছে। বামুজা গ্রামের প্রভাবশালী ডাঃ এ আর খানের দক্ষিণ পাড়ায় রাস্তা সংলগ্ন একটি মাছ চাষের পুকুর রয়েছে। মাছ চাষে পুকুরের পাড় একেবার সংকীর্ণ হওয়ায় যে কোন সময় রাস্তা ভেঙে পুকুরে বিলিন হওয়ার আশংকা থাকলেও ঐ প্রভাবশালী ব্যক্তি রাস্তা সুরক্ষায় পুকুর পাড়ে গাইড ওয়াল না দিয়ে রাস্তার জায়গা দখল করে ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য ইটের সীমানা প্রাচীর তুলেছে। এতে ঐ রাস্তার চওড়া কমে গিয়ে যানবাহনে চলাচলের বিঘ্ন ঘটার আশংকা করছেন এলাকাবাসী।

রাস্তার অপর পাশে আরেক প্রভাবশালী শিহাবের রাস্তা সংলগ্ন জায়গায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছের বাগান থাকলেও তিনি সীমানা পিলার অতিক্রম করে রাস্তা দখল করে অনেক আগেই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছেন। দুই প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরোধ চরমে পৌঁছায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ভাবে অনেক দেনদরবার হলেও আজও এর কোন সুরাহা হয়নি। সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায় প্রভাবশালী এ আর খানের ভাই মোঃ কোব্বাত আলি গৃহ নির্মাণ শ্রমিক দিয়ে রাস্তায় ১৫০ ফিট দৈর্ঘ্য সীমানা প্রাচীর তুলছেন।

সরকারি রাস্তার জায়গা দখল করে কেন প্রাচীর তোলা হচ্ছে জিঙ্গাসা করলে তিনি বলেন, আমরা রাস্তা সুরক্ষা করতেই এই সীমানা প্রাচীর দিচ্ছি। রাস্তার জায়গা দখল করতে নয়। রাস্তাটির অপর পাশে ঐ গ্রামের আরেক প্রভাবশালী মরহুম মোজাম্মেল হকের ছেলে শিহাব রাস্তার জায়গা দখল করে অনেক পূর্বেই সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করেছেন।

এ ব্যপারে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ হোসেন আলী বলেন, রাস্তায় জায়গায় সীমানা প্রাচীর দিতে নিষেধ করা হয়েছে। তাছাড়া বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করার কথা রয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে বামুজা গ্রামের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি বলেন, প্রভাবশালী ব্যক্তিরা এ ভাবে সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করলে দিনদিন রাস্তার জমি বেদখল হয়ে রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে যাবে। এতে যাননবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটার আশংকা রয়েছে । তাঁরা প্রভাবশালী হওয়ায় তাঁদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পায়না। ঐ পুকুরের মালিক এ আর খানের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যপারে গ্রামবাসী প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১