বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ১২ February ২০২২

মাঘের বৃষ্টি বোরোর জন্য আশির্বাদ


আইয়ুব আলী, সিরাজগঞ্জ

মাঘ মাসের বৃষ্টি কারো জন্য পৌষ মাস আবার কারো জন্য সর্বনাশ। তবে এই বৃষ্টি যেন আশির্বাদ হয়েছে এসেছে চলনবিল অধ্যুষিত তাড়াশ রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া উপজেলার কৃষকদের কাছে। গত কয়েকদিন আগে এবং গত বৃহস্পতিবার সিরাজগঞ্জে ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। মাঘ মাসে এই দুই দফা বৃষ্টির পর সিরাজগঞ্জের চলনবিল অধ্যুষিত এলাকার কৃষি জমিতে দল বেঁধে বোরো ধান লাগাতে মাঠে নেমে পড়েছে কৃষাণ-কৃষাণিরা। মাঘ মাসের বৃষ্টিতে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের কৃষকদের দুঃচিন্তার কারণ হলেও চলনবিল অঞ্চলের কৃষকদের কাছে আনন্দের, কারণ সেচ নির্ভর বোরো আবাদে এই বৃষ্টির পানি অনেকটাই উপকার হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বোরো ধানের চারা লাগাতে বাড়তি পানি সেচের প্রয়োজন হচ্ছে না। এতে সেচের জন্য বাড়তি খরচ লাগছে না। মাটিও নরম হয়েছে। যে কারণে চারা দ্রুত রোপণ করা যাচ্ছে। শ্রমিকও কম লাগছে। মাটির উর্বরতাও কিছুটা বাড়ছে। এতে ফলন বাড়ার সুযোগ সুষ্টি হয়েছে।

উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের কৃষক আক্কাস আলী জানান, বৃষ্টির কারণে একদিকে সেচ খরচ সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি জমিতে সার ও লাগবে কম। জমি উর্বর হওয়ায় ধানের ফলনও বাড়বে। সে জন্য এই এরাকার কৃষক-কৃষাণিরা দল বেঁধে নেমে পড়েছে চারা রোপণের কাজে। একই ধরনের কথা বললেন উল্লাপাড়া উপজেলার লাহিড়ী মোহনপুর ইউনিয়েনের কৃষক রফিকুর ইসলাম, আব্দুল কালাম, রইচ উদ্দিন অনেকে।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলনবিল অধ্যুষিত জেলার উল্লাপাড়া, তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলার ৭২ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই প্রায় আশি ভাগ বোরো ধান রোপণ শেষ হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা লুফুন্নাহার লুনা বলেন, এ বছর তার উপজেলায় বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২২ হাজার ৩২০ হেক্টর জমিতে। ইতোমধ্যে ১৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধান রোপণ করা হয়েছে। মাঘ মাসে দুই দফা বৃষ্টিতে কৃষকদের বোরো আবাদের জন্য উপকার বয়ে এনেছে। আশা করছি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে বোরোর চারা রোপণ শেষ হবে।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১