বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০৭ February ২০২২

প্রেমে ব্যর্থ হয়ে প্রেমিকাকে গণধর্ষণ, প্রেমিক গ্রেপ্তার


ঢাকার ধামরাইয়ে করিম টেক্সটাইলের এক নারী শ্রমিকের প্রেমে ব্যর্থ হয়ে গণধর্ষণ করেছে প্রেমিকসহ তিন জন। এই ঘটনায় মেয়েটির স্বামী বাদী হয়ে ধামরাই থানায় মামলা হলে প্রেমিক রিফাত হোসেন (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে রিফাতকে রিমান্ড চেয়ে কোর্টে প্রেরণ করলে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে কোর্ট।

আজ সোমবার (০৭ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ধামরাই (ওসি) অপারেশন নির্মল কুমার দাস। এর আগে শনিবার (৫ ফ্রেরুয়ারি) দিনগত রাতে ধামরাই উপজেলার সূয়াপুর এলকায় অভিযান চালিয়ে রিফাতকে আটক করা হয়।

এ ঘটনাটি ঘটেছে ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের কালামপুর করিম টেক্সটাইল কারখানার পূর্ব পাশে ইটভাটার একটি পরিত্যাক্ত ঘরে।

আসামীরা হলেন, প্রেমিক মোঃ রিফাত হোসেন (২০) ধামরাই উপজেলার সূয়াপুর ইউনিয়নের করিম কায়েমতারা গ্রামের মৃত আইয়ুব আলী ছেলে, বাকিরা হলেন, মোঃ সাইফুল ইসলাম (২২), মোঃ সুমন মিয়া, করিম টেক্সটাইলের শ্রমিক জোৎনা আক্তার ও জরিনা আক্তার। 

ভুক্তভোগি ও পুলিশ সুত্রে জানাযায়, মেয়েটির সাথে রিফাতের দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল। পরে মেয়েটির অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। মেয়েটির গর্ভে এক-দেড় মাসের বাচ্চা ছিল। এরপর রিফাত ফন্দি করে গত জানুয়ারি ২৪ তারিখে মেয়েটির বান্ধবি জোৎনা ও জরিনাকে দিয়ে কৌশলে দুপুর বেলা ফেক্টরী থেকে ডেকে এনে করিম টেক্সটাইল কারখানার পূর্ব পাশে আই এন সি ইটভাটার একটি পরিত্যাক্ত ঘরে নিয়ে জোর করে তিন বন্ধু রিফাত, সাইফুল, সুমন মিলে মেয়েটিকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এই সময় জোৎনা ও জরিনা আক্তার মিলে তাদের পাহারা দিতে থাকে। পরে ঐ ঘরের পাশ দিয়ে লোকজন যাওয়ার সময় ঘরের ভিতরে ধর্ষিতার গুনরানোর শব্দ পেয়ে তারা এগিয়ে গেলে জোৎনা ও জরিনা কৌশলে সেখান থেকে সরে যায়। লােকজন ঘরের দরজা বন্ধ পেয়ে ডাকাডাকি করে। এ সময় ধর্ষকারীরা মেয়েটিকে রেখে দৌড়িয়ে পালিয়ে যায়। এরপর আশে পাশের লোকজন এসে মেয়েটিকে উদ্ধার করে মেয়েটির স্বামী সাব্বিরকে খবর দেয়। সাব্বির এসে তাকে নিয়ে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে সাব্বির বাদী হয়ে পাঁচ জনের নাম উল্লেখ্য করে ধামরাই থানায় মামলা করেন। মামলা নং ২(৩)২২ সেই মামলায় ধামরাই থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে সূয়াপুর থেকে রিফাত হোসেন কে আটক করে রিমান্ড চেয়ে কোর্টে প্রেরণ করে।

এই বিষয়ে মেয়েটির স্বামী সাব্বির হোসেন বলেন, আমার স্ত্রীর গর্ভে এক-দেড় মাসের বাচ্চা ছিল সে বাচ্চাও নষ্ট হয়ে গেছে। তাই আমার স্ত্রীর সাথে যারা এমন অমানবিক কাজ করেছে তাদের ফাঁসির দাবি জানাই। 

এই বিষয়ে ধামরাই থানার ওসি অপারেশন নির্মল কুমার দাস বলেন, গণ ধর্ষণের ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়। সেই মামলায় অভিযান চালিয়ে রিফাত হোসেনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামীদের আটকের চেষ্টা চলছে।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১