বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ২৯ January ২০২২

বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে কয়লা উত্তোলন

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির এমডিসহ ৬৮ জন দেশি ও চীনা কর্মকর্তা করোনা শনাক্ত


দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) ৬৮ জন দেশি ও চীনা কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এ কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে ভূগর্ভ থেকে কয়লা উত্তোলন। ছুটিতে পাঠানো হয়েছে চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠা এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়ামের পাঁচ শতাধিক দেশি শ্রমিককে।

ছুটিতে যাওয়া শ্রমিকরা জানান, পূর্ব কোন ঘোষণা ছাড়াই চীনা ঠিাকাদারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত গত ৪৫০ জন দেশি খনিশ্রমিককে গত বৃহস্পতিবার (২৭ জানুয়ারি) এবং অবশিষ্ট ৬০ জন দেশি শ্রমিককে গত শুক্রবার ছুটি দিয়ে বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান। তবে চীনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে করোনা সংক্রমণ উর্ধ্বমূখি হওয়ায় কর্তৃপক্ষ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

খনি সূত্রে জানা যায়, খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ (এমডি) দেশি ও চীনা কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে করোনার লক্ষণ দেখা দেওয়ায় গত শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের ৭১ জন কর্মকর্তা ও কর্মচারি করোনা পরীক্ষা করান। এতে খনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামানসহ ৩২ জন পজেটিভ শনাক্ত হয়েছেন। একই দিন খনির চীনা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এক্সএমসি-সিএমসি কনসোর্টিয়ামের ১৮৪ জন চীনা কর্মকর্তা ও কর্মচারি করোনা পরীক্ষা করালে তাদের মধ্যে ৩৬ জন পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে খনির দেশি ও বিদেশি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ার পাশাপাশি সংক্রমণ রোধে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয়ে খনির উৎপাদন কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ কারণে চীনা প্রতিষ্ঠানের অধিন কর্মরত দেশি শ্রমিকদের ছুটি দিয়ে বাড়ীতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে আক্রান্ত সবাই নিজ নিজ বাড়ীতে আইসোয়ালেশনে রয়েছে।

বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী মো. কামরুজ্জামান মুঠোফোনে করোনায় আক্রান্ত এবং খনির উৎপাদন কার্যক্রমসহ দেশি শ্রমিকদের ছুটি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সংক্রমণ রোধে কর্তৃপক্ষ এমনটি সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। তবে খনির উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এরজন্য পার্শ্ববর্তী বড়পুকুরিয়া কয়লা ভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রমে কোন প্রকার সমস্যা হবে না। কারণ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে অন্তত তিন থেকে চার মাসের বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রাখার মতো কয়লা সেখানে মজুত রয়েছে। মজুত কয়লা শেষ হওয়ার আগেই খনির কয়লা উত্তোলন শুরু হবে। ফলে এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১