আপডেট : ১৮ December ২০২১
গ্রামের মেঠোপথ দিয়ে চলতেই হঠাৎ চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজের সমারোহ। সেখান দেখা মিলে সারি সারি লাল-সবুজ রঙের টমেটো। পাশাপাশি দেখা যায় ফুল কপি, বাধাকপি, মুলা, লাল শাখ, শিম, করলা, লাউ, শসাসহ নানা প্রজাতির সবজিও। তবে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চাষাবাদ করে বাজিমাত করছেন কষক মোস্তাকিম সরকার। বন বেগুন গাছের সঙ্গে বারি টমেটো-৮ জাতের চারার গ্রাফটিং পদ্ধতিতে চাষ করে এিক অভাবনীয় সাফল্য পান তিনি। তার উৎপাদিত এসব টমেটো এ উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। মোস্তাকিম আখাউড়া উপজলার মোগড়া ইউনিয়নের ধাতুরপহেলা গ্রামের বাসিন্দা। ওই ইউনিয়নের আদমপুর গ্রামে গত কয়েক বছর ধরে মায়ের দোয়া বহুমুখী কষি খামার বিশাল এলাকা জুড়ে গড়ে তুলেন তিনি। ওই খামারে অন্যান্য সবজির পাশাপাশি এই বছর প্রথম গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চাষ করে এলাকায় চমক সৃষ্টি করেন। ইতোমধ্যে টমেটো বিক্রি শুরু করেছেন। গত দেড় মাস ধরে চলছে তার খামারের আধুনিক পদ্ধতির টমেটোর বেচাকেনা। এ পর্যন্ত তিনি ১২ লাখ টাকার ওপর টমেটো বিক্রি করেছেন তিনি। আবহাওয়া অনুকুল থাকলে এ মৌসুমে তিনি ৩০-৩২ লাখ টাকার টমেটো বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন মোস্তাকিম। উপজেলা কষি কর্মকর্তা শাহানা বেগম বলেন, গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষের অনেক সুবিধা রয়েছে। সেসব সুবিধাগুলো হলো- আগাম টমেটোর চাষ করা যায়, গাছ বেশি দিন বেঁচে থাকে, গাছে রোগ-বালাই কম থাকে, বীজ থেকে উৎপাদিত গাছের তুলনায় ঢলে পড়া রোগ অনেক কম হয়, তিতবেগুনের সঙ্গে কলম করলে গাছ ৬-৭ মাস পযর্ন্ত ফলন হয়, আগাম উৎপাদনের জন্য বারি-৪, বারি ৮ জাত চাষর জন্য উপযাগী, উৎপাদন দীর্ঘস্থায়ী ও ফলন বেশী হয়ে থাকে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১