আপডেট : ০৯ August ২০২১
ভোলায় দিন দিন বাড়ছে বারি-১ জাতের মাল্টার আবাদ। উৎপাদন খরচ কম হওয়া ও বাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকায় বেকার যুবকদের মাঝে মাল্টা চাষে আগ্রহ তৈরি হচ্ছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা হলুদ মাল্টার চেয়ে অধিক মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় ক্রেতাদের কাছেও বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই সবুজ মাল্টা। ভোলার কৃষি বিভাগ সূত্র জানা যায়, ২০১৬ সালে কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সর্বপ্রথম মাল্টার আবাদ শুরু হয়। শুরুতে অল্প জমিতে দুই-একজন কৃষক মাল্টার আবাদ করলেও বর্তমানে সেটি দাড়িয়েছে প্রায় ১৫ হেক্টরে। মাল্টার জাত হলো বারি-১। এটির সঙ সবুজ হলেও খেতে খুব মিষ্টি ও সুস্বাদু । তাই অন্য মাল্টার তুলনায় বাজারে সবুজ রঙের মাল্টার বেশী মূল্য পাওয়া যায়। বর্তমানে সব কয়টি মাল্টা বাগানে ফলে ভরপুর রয়েছে। আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এ মাল্টা বাজারজাত করা যাবে। এবছর জেলায় বারি-১ জাতের মাল্টা আবাদে লক্ষ্য মাত্রা ধরা হয়েছে ১৫ মেট্রিকটন। ভোলা সদর উপজেলার সবুজ বাংলা কৃষি খামারের মালিক চেয়ারম্যান ইয়ানুর রহমান বিপ্লব জানান, তিনি ২০১৬ সাল থেকেই তার খামারে মাল্টার আবাদ শুরু করেন। মাল্টার রঙ সবুজ হওয়ায় শুরুতে স্থানীয় বাজারে এ মাল্টা চাহিদা কম থাকলেও বর্তমানে এর চাহিদা ব্যাপক। তাই তার খামারের বিশ শতাংশ জমিতে প্রায় ২০০টি মাল্টার চারা লাগিয়েছে। কোনো প্রকার কিটনাশক ব্যবহার ছাড়াই তার খামারে প্রাকৃতিকভাবে মাল্টা চাষ করা হয়। খামারের প্রতিটি গাছেই মাল্টার ভালো ফলন হয়েছে। তবে এ বছর বৃষ্টি কম হওয়ায় শুরুতে কিছু মাল্টা ঝড়ে যায়। এ মাল্টা অধিকাংশ ক্রেতারাই বাগান থেকে এসে কিনে নিয়ে যায়। আবার অনেকে মোবাইল ও অনলাইনে অর্ডার করেন। যে একবার এ মাল্টা খাবে সে আর বাজার থেকে অন্য মাল্টা কিনে খাবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। ভোলা সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. রিয়াজ উদ্দিন জানান, চলতি বছর ভোলায় প্রায় ১৫ হেক্টর জমিতে মাল্টার আবাদ হয়েছে। এবছর গাছে যে পরিমাণ মাল্টা ধরেছে এতে করে ১৫ হেক্টর জমি থেকে প্রায় ১৫ মেট্রিকটন মাল্টা আহরণের সম্ভাবনা রয়েছে। ভোলায় মাল্টার আবাদ বাড়াতে কৃষি বিভাগ চাষিদের কারিগরি সহযোগিতার পাশাপাশি পরামর্শ দিয়ে আসছে বলেও জানান তিনি।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১