বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ০৩ July ২০২১

বগুড়ায় হাই ফ্লো ন্যাজোল ক্যানোলা সঙ্কটের সমাধান


বগুড়ায় করোনা আক্রান্ত মুমূর্ষ রোগীদের জন্য হাই ফ্লো ন্যাজোল ক্যানোলা সঙ্কটের সমাধান হয়েছে। করোনা বিশেষায়িত সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল ও শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ২০টি হাই ফ্লো ন্যাজোল ক্যানোলা হস্তান্তর করে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এস আলম গ্রুপ।

হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সঙ্কটে গত বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ১৩ ঘন্টায় বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৭ জন রোগীর মৃত্যু হয়। এ বিষয়ে একাধিক সংবাদ মাধ্যমে খবর প্রকাশ হওয়ার পর এগিয়ে আসে এস আলম গ্রুপ। শনিবার সকালে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতাল চত্বরে ওই দুই হাসপাতালের কর্মকর্তাদের কাছে ২০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা হস্তান্তর করা হয়।

এস আলম গ্রুপের পক্ষে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের বগুড়া অঞ্চলের প্রধান আব্দুস সোবহান এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সেলিম উল্লাহ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় চিকিৎসা সরঞ্জামগুলো জেলা প্রশাসক মো. জিয়াউল হকের মাধ্যমে বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এটিএম নূরুজ্জামান সঞ্চয় এবং শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মোহসিনের কাছে হস্তান্তর করেন।

এ সময় মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সঞ্চয় বলেন, ‘সরঞ্জামগুলো সঙ্কটাপন্ন রোগীদের জীবন রক্ষায় সহায়ক হবে। সরঞ্জামগুলো গ্রহণের পরপরই সংযোজন করতে প্রকৌশলীরা কাজ শুরু করেছেন। নতুন ১০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংযোজন করা গেলে হাসপাতালের আইসিইউ ইউনিটটি স্বয়ংসম্পূর্ন হবে।’

এই ১০টি ন্যাজাল ক্যানোলা পাওয়ার আগে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের ৮ শয্যা বিশিষ্ট আইসিইউ ইউনিটে মাত্র ২টি ন্যাজাল ক্যানোলা ছিল। এতে রোগীদের চাহিদা অনুযায়ী উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছিল না। এই পরিস্থিতিতেই বৃহস্পতিবার রাত ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এই হাসপাতালে ৭ রোগীর মৃত্যু হয়।

ডা. সঞ্চয় জানান, ২৫০ শয্যার ওই হাসপাতলে শনিবার সকাল ৭টা পর্যন্ত ২২৬ জন রোগী ভর্তি ছিল। তবে সর্বশেষ ২৪ ঘন্টায় আর কোনো রোগীর মৃত্যু হয়নি।

এদিকে, বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ জানান, শনিবার প্রাপ্ত ১০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সংযোজন করা গেলে ওই হাসপাতালের মোট ২২টি শয্যায় উচ্চ মাত্রায় অক্সিজেন সরবরাহ করা সম্ভব হবে। এই হাসপাতালে ১০০ শয্যার করোনা ইউনিটে শনিবার সকাল পর্যন্ত ১০২ জন রোগী চিকিৎসাধীন।

ডা. ওয়াদুদ বলেন, রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধির কারণে হাসপাতালে আরও ১০০ শয্যা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এজন্য হাসপাতালের মহিলা মেডিসিন ওয়ার্ডকে করোনা ইউনিটে রূপান্তর করা হচ্ছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রবিবার থেকেই সেখানে রোগী ভর্তি শুরু হবে।

 


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১