আপডেট : ২৩ October ২০২০
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে বাগেরহাটে ঝড়ো হাওয়ার পাশাপাশি হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গত বুধবার মধ্যরাত থেকে টানা দুই দিনের বর্ষণে বাগেরহাটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজার হাজার মানুষ। জেলা সদরসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলো রাস্তাঘাট, পুকুর, মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। তবে মোংলা বন্দরে বৃষ্টির কারনে পণ্য ওঠানামা বন্দ থাকলেও অন্য সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সরদার মোস্তফা শাহিন বলেন, শরণখোলার বগি এলাকায় বেশি জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। দ্রুত পানি অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। শরণখোলা-মোরেলগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের একটা অংশ ধসে যাওয়ার ঘটনা সড়ক ও জনপথ বিভাগকে অবহিত করা হয়েছে। বাগেরহজাট পানি উন্নয়বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদুজ্জামান খান বলেন, বেরিবাধের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে। তবে এখনও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. খালেদ কনক জানান, দুই দিনের টানা বর্ষনে জেলার বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাট, পুকুর তলিয়ে গেছে। তবে প্রাথমিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতি কোন খবর পাওয়া যায়নি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাদের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপনের জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মোংলা বন্দরের হারবার মাস্টার কমান্ডার শেখ ফখর উদ্দীন জানান, মোংলা বন্দরের বৃষ্টির কারনে পণ্য ওঠানামা বন্দ থাকলেও অন্য সকল কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। এধরনের নিম্নচাপের ফলে সাধারনত ভারী বর্ষন হয়ে থাকে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো: মামুনুর রশীদ জানান, দুই দিনের টানা বর্ষনে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তবে পরিস্থিতি এখনও নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। শুক্রবার বিকালে জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির একটি জরুরী সভা ডাকা হয়েছে। এই সভার পর পরবর্তি পদক্ষেপ নেয়া হবে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১