আপডেট : ০৭ September ২০২০
দাগনভূঞা উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের কৃষকরা লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। ফলে একের সাফল্যে অন্যরা উৎসাহিত হয়ে লাউ চাষ করছেন। এতে বাড়ছে লাউয়ের চাষাবাদ। অল্প খরচে বেশি মুনাফা হওয়ায় লাউ চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে আশাবাদ সংশ্লিষ্টরা। উপজেলার পূর্ব চন্দ্রপুর ইউনিয়নের জগতপুর গ্রামের বলাই চন্দ্র নাথ লাউ চাষ করে নিজের অভাব ঘুঁচিয়েছেন। পাশাপাশি অন্যদের লাউ চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছেন। স্থানীয় কৃষকরা জানান, লাউ চাষে গোবর, ছাই, কচুরিপানা ও পানিই প্রধান। এসবের বাইরে রাসায়নিক সারের খুব একটা ভূমিকা নেই বললেই চলে। তাই এক বিঘা জমিতে লাউ চাষে ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকার বেশি খরচ হয় না। অন্যান্য ফসলের তুলনায় লাউ চাষে শ্রমও তুলনামূলক কম দিতে হয়। সবজি হিসেবে ভোক্তাদের কাছে লাউয়ের প্রচুর চাহিদা এবং বাজার দর ভালো থাকায় দাম নিয়ে বিক্রি করা যায়। এ ছাড়া লাউয়ের ডগা বিক্রি করে প্রচুর টাকা আয় করা সম্ভব। জগতপুর গ্রামের লাউ চাষী নেছার উদ্দিন জানান, লাউ সাধারণত শীতকালীন সবজি হলেও, বর্তমানে শীতের আগে আগাম সবজি হিসেবে লাউ চাষের কদর বেড়েছে। বর্ষার শেষ এবং শীতের শুরুতে কৃষকরা এ লাউ চাষ করে বেশ লাভবান হচ্ছেন। কৃষক নুরুল আলম বলেন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল্লাহ আল মারুফের নিকট থেকে বিনামূল্যে বীজ সহায়তা ও পরামর্শে ১৫শতক জমিতে কীটনাশকমুক্ত আগাম লাউ চাষ করে এই পর্যন্ত নয় হাজার টাকায় লাউ বিক্রি করছি এবং বিক্রি চলমান রয়েছে দাম ও ভালো পাচ্ছি। করোনা দুর্যোগ পরবর্তী অর্থনীতি মোকাবিলা করতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। “বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গাও যেন পতিত না থাকে” মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন দাগনভূঞার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং উপজেলা কৃষি অফিস এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রধান বীজ তত্ত্ববিদ আজিম উদ্দিনের সহযোগিতা বিভিন্ন এলাকা কৃষকদের মাঝে এই সময়ে সবজি ও ধানের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১