আপডেট : ১৯ August ২০২০
র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইং এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেছেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ঘটনা সুষ্ঠুভাবে তদন্ত কাজ এগিয়ে চলছে। র্যাবের হেফাজতে থাকা আসামিরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেই তথ্যকে সামনে রেখে এই মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অত্যন্ত পেশাদারীত্ব নিয়ে কাজ করছে। আজ বুধবার কক্সবাজার র্যাব-১৫ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ বলেন, আদালতের নির্দেশে মেজর সিনহার সহযোগিদের ব্যবহৃত কম্পিউটারসহ অন্যান্য ২৯টি সামগ্রী আমাদের হেফাজতে দেওয়ার জন্য আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আশা করছি দ্রুত এসব সামগ্রী থেকে আরো তথ্য নিয়ে দ্রুত মামলার তদন্ত রিপোর্ট দেওয়া যাবে। আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,কক্সবাজারের পুলিশ সুপারসহ যাদের ব্যাংক একাউন্ট জব্ধ করা হয়েছে সবার বিষয়ে আমাদের দেখার বিষয় না। আমরা শুধ তদন্তের স্বার্থে সেটা দরকার সেটাই আমরা দেখবো। ওই ঘটনায় ওসি প্রদীপসহ অন্য পুলিশ সদস্যরা এবং পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষী প্রথমে কক্সবাজার জেলা কারাগার ও পরে আদালতের ৭ দিনের রিমান্ড আদেশের প্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র্যাব হেফাজতে রয়েছে। সর্বশেষ বাংলাদেশ আর্মড পুলিশের (এপিবিএন) তিন সদস্যকে আটকের আদালতে সোপর্দ করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করে তদন্তকারী সংস্থা র্যাব। কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ প্রত্যেক আসামিকে ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
প্রসঙ্গত, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ। এসময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দু’জনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১