আপডেট : ২৮ July ২০২০
বাগেরহাটের কাঁচাবাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেছে সবজির দাম। এতে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের মানুষ। তবে কৃষি বিপণন বিভাগ বলেছে, ঘূর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে কৃষি ফসল নষ্ট হওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে যা ক্রমেই সহনীয় পর্যায় আসতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাটের বাজারগুলোতে প্রায় সবধরনের সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তার মধ্যে কাঁচা মরিচের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে অস্বাভাবিক ভাবে। তাছাড়া বেগুন, বরবটি, পটল, ঢেড়স, করলা পেঁপেসহ প্রায় সব ধরনের সবজি বিক্রি হচ্ছে বেশি দামে। ৪০ টাকা কেজিতে কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ২শ থেকে ২শ ৫০ টাকা। বেগুন ৬০ টাকা, পটল ৩৫ টাকা, করলা ৫০ টাকা, লাউ ও চালকুমড়া সর্বনিম্ন ৫০ টাকা। এদিকে করোনা পরিস্থতিতে আয় কমে যাওয়ার এমনিতে বিপাকে রয়েছে সাধারন মানুষ। তার উপর সব্জির মূল্য বৃদ্ধিতে সংসার চালতে হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের। তবে বিক্রেতারা বলছেন, অতিবৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার কারণে অনেক ক্ষেত পানিতে ডুবে নষ্ট হওয়ায় বাজারে সবজির সংকট রয়েছে। বাগেরহাট কাঁচা বাজারের সবজি বিক্রেতা মহসিন শেখ জানান, সবজির বাড়তি দাম রয়েছে পাইকারি বাজারে। মালামাল বেশি হলে দাম কমে, মালের সংকট হলে দাম বেড়ে যায়। পাইকারি বাজারের দাম অনুপাতে আমরা খুচরা বাজারে মালামাল বিক্রি করি। বাজার করতে আসা রিক্সা চালক আঃ হালিম জানান, করোনায় লোকজন কম থাকায় আমাদের আয়ও অনেক কম। এখন বাজারে সবজির মূল্য যে ভাবে বাড়ছে তাতে আমাদের মত গরিব মানুষের সংসার চালনো অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাজার করতে আসা রাজিব সীল বলেন, করোনার কারনে দোকানে মানুষ চুল-দাঁড়ি ছাঁটাতে লোক তেমন আসে না। তাই সেলুন মালিক ও শ্রমিকরা এক প্রকার মানবেতর জীবন-যাপন করছে। সেখানে সবজির মূল্য বৃদ্ধিতে বাজার করতে চরম হিমশিম খেতে হচ্ছে। এ বিষয়ে জেলা কৃষি বিপনন কর্মকর্তা জি, এম মহিউদ্দীন বলেন, ঘুর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে কৃষি ফসল নস্ট হওয়ায় বাজারে এর প্রভাব পড়েছে। যা ক্রমেই সহনীয় পর্যায় আসতে শুরু করেছে। এছাড়া কেউ যাতে অতিরোক্ত দামে পন্য বিক্রি করতে না পারে সেজন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১