আপডেট : ২১ June ২০২০
টাঙ্গাইলের সখীপুরের বহেড়াতৈলে মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর সেই শপথস্তম্ভের সামনে ভূমি অফিস নির্মাণ করা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের তীব্র প্রতিবাদের মুখে রোববার সকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জুলফিকার হায়দার, ইউএনও আসমাউল হুসনা লিজা, পৌর মেয়র ও মুক্তিযোদ্ধা আবু হানিফ আজাদ শপথস্তম্ভটি পরির্দশন করে এ সিদ্ধান্ত দেন। এ সময় আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ-সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আতাউল মাহমুদ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হা-মীম তাবাসসুম প্রভা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক শওকত সিকদার, প্রেসক্লাব সভাপতি শাকিল আনোয়ারসহ মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। শপথস্তম্ভ পরির্দশন শেষে এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত এই শপথস্তম্ভটি শুধু সখীপুরের সম্পদ নয়। এটি দেশের সম্পদ। এর সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযোদ্ধাদের নানা আবেগ ও স্মৃতি জড়িত। এই স্তম্ভের পাশে ভূমি অফিস নির্মাণ যৌক্তিক নয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসমাউল হুসনা লিজা বলেন, আমরা এমপি মহোদয়ের নেতৃত্বে শপথ স্তম্ভটি পরিদর্শন করেছি। তিনি বিকল্প একটি জায়গায় ইউনিয়ন ভূমি অফিস নির্মাণের নির্দেশনা দিয়েছেন। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তপক্ষকে জানিয়ে পরবর্তী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উল্লেখ্য, উপজেলার বহেড়াতৈলে মুক্তিযুদ্ধে কাদেরিয়া বাহিনীর শপথস্তম্ভের সামনে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের পাকা ভবন নির্মাণ কাজ চলছিল। শপথস্তম্ভটির সৌন্দর্য নষ্ট করে ভবন নির্মাণে ক্ষুব্ধ হয় এলাকাবাসী ও মুক্তিযোদ্ধারা। শনিবার এ নিয়ে দৈনিক বাংলাদেশের খবর অনলাইনে বিস্তারিত ও সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও তীব্র প্রতিবাদ ও সমালোচনার ঝড় উঠে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১