আপডেট : ০৭ April ২০২০
করোনাভাইরাসে মৃত দুই ব্যক্তির সংস্পর্শে আসায় মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে ১১টি পরিবারকে হোম কোয়ারেইন্টে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া জানাজায় অংশগ্রহনকারী একজন ঈমাম ও একজন মোয়াজ্জিন এবং লাশ গোসলকারী আরো এক ব্যাক্তিকেও হোম কোয়ারেইন্টে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া একটি মসজিদেও আগামী ১৪ দিন নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। এ তথ্য নিশ্চিত করে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কাবিরুল ইসলাম খান জানান, গত সোমবার ঢাকার ওয়ারিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান কনকসার গ্রামের ওহাব দেওয়ান। তিনি গত শুক্রবার গ্রামের বাড়িতে এসে ৭টি পরিবারকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে। যদিও ওই পরিবারগুলো সরাসরি তার সংস্পর্শে আসেনি তারপরেও ওই ৭টি পরিবারকে আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেইন্টে রাখা হচ্ছে। এসময় তাদের খাবার-দাবার এমনকি কাচাবাজারও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া গত শুক্রবার ঢাকার আজগর আলী হাসপাতালে মারা যান নাগের হাটের মো. হারুন। মৃত্যুর পরে গতকাল সে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে জানতে পারি। তার লাশ গ্রামে নিয়ে আসলে পরিবারের সদস্যরা লাশের সংস্পর্শে আসে। এজন্য ৪টি পরিবারকে আগামী ১৪ দিন হোম কোয়ারেইন্টে রাখা হয়েছে। এছাড়া তাকে গোসল করানো সাতঘড়িয়া কবর স্থানের পাশের দোকানি রব মিয়াকেও ওই দোকানেই কোয়ারেইন্টে রাখা হয়েছে। তার জন্য পাশেই একটি টয়লেট ণির্মাণ করে দেয়া হয়েছে। তাছাড়া জানাজায় অংশ গ্রহনকারী সাতঘড়িয়া কবর স্থান মসজিদের ঈমাম ও মোয়জ্জিনকেও হোম কোয়ারেইন্টে রাখা হয়েছে। যেহেতু ওই মসজিদে মুসুল্লিরা নামাজ আদায় করতে এসে করোনায় আক্রান্ত হবার সম্ভবনা রয়েছে তাই আগামী ১৪ দিন ওই মসজিদে সকলকে নামাজ পড়া থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। নিদের্শনার সময় উপস্থিত ছিলেন লৌহজং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ ওসমান গণি তালুকদার, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার ও পরিকল্পনা কর্মকমর্তা ডা. শামিম আহম্মেদ, বিআরডিবির চেয়ারম্যান মনির হোসেন মোড়ল, কনকসার ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, লৌহজং থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সেলিম রেজা, (অপারেশন) মো. হাফিজুর রহমান মানিক প্রমুখ।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১