আপডেট : ১৯ February ২০২০
কচুরিপানা খেতে বলা নিয়ে গণমাধ্যমে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের বক্তব্যটি সঠিকভাবে তুলে ধরা হয়নি। যেভাবে সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। গতকাল মঙ্গলবার মন্ত্রী নিজেই এসব কথা বলেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠক শেষে এম এ মান্নান বলেন, বিষয়টি এমন নয় যে কচুরিপানা খেতে বলেছি। কাঁঠাল-কচুরিপানা নিয়ে আরো গবেষণা করা যায় কি-না, সে কথা বলেছি। তিনি বলেন, আমি নিজেও ছোটবেলায় কচুরিপানার ফুল খেয়েছি। মা বেসন দিয়ে ভেজে দিতেন। মন্ত্রী কচুরিপানার মতো ছোট ছোট বিষয় নিয়ে গবেষণার তাগিদ দিয়ে বলেন, গবেষণা হবে সীমাহীন। এটা বলা যাবে না, এটা করতে পারবেন না, জাত গেল এসব ছাড়তে হবে। আমি বলেছিলাম, কচুরিপানা নিয়ে গবেষণা করেন। কেউ যদি খেতে পারে ক্ষতি আছে? কেউ একজন সেসময় বলল, ‘কচুরিপানা গরু-ছাগলে খায়।’ তিনি বলেন, থাই গবেষকরা গবেষণা করে পেয়ারা থেকে বিচি উঠিয়ে দিয়েছেন, আমরা খাচ্ছি। এসব প্রযুক্তি কি আমাদের দেশে সম্ভব নয়? সেই পরিপ্রেক্ষিতে বলেছি, আরো গবেষণা করেন। এম এ মান্নান বলেন, কাঁঠালের আমসত্ত্ব একসময় বইয়ে ছিল, এখন বাস্তবে আছে। এসব তো হয়েছে। আমি নাকি মানুষকে বলেছি কচুরিপানা খান। এটা আমি বলিনি। আমি কী বাংলার মানুষ না, আমার বাবা-মা কি বাংলার মানুষ না? কচুরিপানা ফুল আমি নিজে খেয়েছি। বেসনে ভেজে মা খাইয়েছেন। এসব মিস করি। এ সময় গণমাধ্যমে তার বক্তব্য সঠিকভাবে আসেনি উল্লেখ করে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের শুদ্ধচর্চার কথাও স্মরণ করিয়ে দেন। এম এ মান্নান বলেন, বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিত বুঝতে হবে। আমরা একটা সংরক্ষণবাদী জাতি। পান থেকে চুন খসার প্রবচন আর কোনো ভাষায় আছে কি-না জানি না। এসব ব্রাহ্মণ্য ছুৎমার্গ বাদ দিতে হবে।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১