বাংলাদেশের খবর

আপডেট : ২৬ October ২০১৯

খালেদাকে বিদেশে নিতে চান স্বজনরা

দুই সপ্তাহ ধরে কোনো ডাক্তারই দেখছেন না -সেলিমা ইসলাম


সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা শোচনীয়, অযথা তাকে এখানে (হাসপাতাল) ফেলে রাখা হচ্ছে, কোনো ডাক্তারই আসছেন না অভিযোগ করেছেন তার স্বজনরা। তাই জামিন পেলে উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিতে চাইছেন স্বজনরা।

গতকাল শুক্রবার বিকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেন তারা। হাসপাতাল থেকে বের হয়ে খালেদা জিয়ার মেজো বোন বেগম সেলিমা ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

গতকাল বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে খালেদা জিয়ার স্বজনরা বিএসএমএমইউ হাসপাতালে তার সঙ্গে দেখা করতে যান। প্রায় ঘণ্টাখানেক তারা খালেদা জিয়ার পাশে থাকেন।

স্বজনদের মধ্যে ছিলেন খালেদা জিয়ার মেজো বোন বেগম সেলিমা ইসলাম, তারেক রহমানের স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বড় বোন শামীম আরা বিন্দু, খালেদা জিয়ার ভাইয়ের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা, ভাইয়ের ছেলে অভিক ইস্কান্দারসহ ছয়জন।

সেলিমা ইসলাম বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে চিকিৎসকরা তাকে দেখতে আসেন না। কোনো চিকিৎসাও দেওয়া হচ্ছে না। অযথা তাকে এখানে ফেলে রাখা হচ্ছে। আমরা তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠাতে চাই। খালেদা জিয়া নিজে হাতে খাবার তুলে খেতে পারছেন না বলেও দাবি করেছেন তিনি।

খালেদা জিয়া নিজে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চান কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিমা ইসলাম বলেন, ‘তিনি বলেননি। কিন্তু আমরা তাকে পাঠাতে চাই। দিন দিন তার স্বাস্থ্যের অবস্থা খারাপ হচ্ছে। এখানে কোনো চিকিৎসা হচ্ছে না। ডাক্তারই আসেন না। কারাবন্দি খালেদা জিয়া গত ১ এপ্রিল থেকে বিএসএমএমইউয়ে চিকিৎসাধীন। স্বজনদের মতো বিএনপির নেতারাও খালেদা জিয়ার এই চিকিৎসায় সন্তুষ্ট নন। উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রথমে ইউনাইটেড হাসপাতাল, পরে বিদেশে চিকিৎসা সেবা দিতে জামিনের দাবি করেন নেতারা।

গতকাল শুক্রবার দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে শোচনীয়। তার উন্নত চিকিৎসার অধিকারটুকু কেড়ে নেওয়া হয়েছে। গত ১৪ দিনে কোনো চিকিৎসক তার কাছে যাননি। বিএসএমএমইউএর ভিসি সাহেব গত সপ্তাহে রিমাটোলজিস্টদের দিয়ে যে মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছেন, অদ্যাবধি সেই মেডিকেল বোর্ড খালেদা জিয়া কিংবা তার কোনো স্বজনকে চিকিৎসার কোনো রিপোর্ট দেননি।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের সাজা দেন আদালত। এরপর ওই বছরের ৩০ অক্টোবর এই মামলায় খালেদার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছর করেন হাইকোর্ট। এর আগের দিন জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।


বাংলাদেশের খবর

Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.

বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com

অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com

ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১