আপডেট : ২৪ October ২০১৯
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) প্রশাসনকে দূর্নীতিবাজ উল্লেখ করে অপসারণের দাবিতে ‘রাবি দূর্নীতিবিরোধী শিক্ষক সমাজ’ ব্যানারে মানববন্ধন করেছে শিক্ষকরা। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ সিনেট ভবনের সামনে এ কর্মসূচির আয়োজন করেন তারা। পঞ্চম দিনের মতো অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধন কর্মসূচি থেকে শিক্ষকরা বর্তমান প্রশাসনের দূর্নীতিগ্রস্থ কর্মকর্তাদের অপসারণ না করা পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে সোমবার ও বৃহস্পতিবার কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দেন। ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ আলী রেজার সঞ্চালনায় মানববন্ধনে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সাবেক প্রশাসক ড. সফিকুন্নবী সামাদী বলেন, অনুষদে ফাস্ট হয়ে প্রধানমন্ত্রী পদক পাওয়া সত্বেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পায় না। কিন্তু উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের মেয়ে-জামাতা হলে যোগ্যতা না থাকলেও শিক্ষক হয়ে যান। এতে প্রতিয়মান হচ্ছে বিশ^বিদ্যালয়কে পারিবারিক খামারে রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স তখন রাবি দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে প্রতিটি স্তর। এহেন পরিস্থিতিতে বর্তমান প্রশাসনের বিতর্কিত কর্মকান্ডে শিক্ষকের মর্যাদা নিয়ে বেঁচে থাকা দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, আইন অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক বিশ^জিৎ চন্দ, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. মো. সাইফুল ইসলাম, ড. মো. জিন্নাত আরা বেগম, গণিত বিভাগের অধ্যাপক আশাবুল হক, পরিবেশ বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক ও ভূতত্ব ও খনিবিদ্যার অধ্যাপক সুলতানুল ইসলাম, প্রাণ রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. এস এম এক্রাম উল্যাহ প্রমুখ। এর আগে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য এম আব্দুস সোবহান এক সেমিনারে বক্তব্য শেষে জয় হিন্দ শব্দযুগল উচ্চারণ ও উপ-উপাচার্য চৌধুরী মোহাম্মদ জাকারিয়ার সাথে চাকুরী প্রত্যাশীর ফোনালাপ ফেসবুক ও গণমাধ্যমে ভাইরাল হয়। এরপর গত ৩ অক্টোবর থেকে বর্তমান প্রশাসনের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অপসারণ চেয়ে আন্দোলন করে আসছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
Plot-314/A, Road # 18, Block # E, Bashundhara R/A, Dhaka-1229, Bangladesh.
বার্তাবিভাগঃ newsbnel@gmail.com
অনলাইন বার্তাবিভাগঃ bk.online.bnel@gmail.com
ফোনঃ ৫৭১৬৪৬৮১