বাংলা সংগীতাঙ্গনের এক মিষ্টি ফুল

সংগৃহীত ছবি

শোবিজ

বাংলা সংগীতাঙ্গনের এক মিষ্টি ফুল

  • বিনোদন প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২

‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর হয়ে রয়। সেই প্রেম আমাকে দিও, জেনে নিও তুমি আমার প্রাণের চেয়ে প্রিয়।’ প্রিয় মানুষকে নিয়ে গাওয়া সেরা গানের মধ্যে এই গানটির আবেদন বোধহয় এখনো অন্যরকম। গানে পুরুষ কণ্ঠ শিল্পী খালিদ হাসান মিলুর আর মিষ্টি নারী কণ্ঠটি যার তিনি হলেন কনকচাঁপা। কেবল এই গান নয়, প্রেম, বিরহ, সম্পর্কঘটিত বিষয়ে হূদয়ে দাগ কাটা অসংখ্য গান জন্ম নিয়েছে তার কণ্ঠ দিয়েই। কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপার পুরো নাম রুমানা মোর্শেদ কনকচাঁপা। প্রথিতযশা এই শিল্পী ১৯৬৯ সালের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। একেবারে ছোট বেলাতেই তার গানে হাতে খড়ি। রেডিওতে কলকাকলি অনুষ্ঠান দিয়ে গান গাওয়া শুরু। বাংলাদেশ টেলিভিশনের নতুন কুঁড়ি অনুষ্ঠানে ৭৮ সালে পেয়েছিলেন জাতীয় পুরস্কার। চলচ্চিত্র, আধুনিক গান, নজরুল সঙ্গীত, লোকগীতিসহ প্রায় সবধরনের গানেই সমান পারদর্শী তিনি। ৩২ বছর ধরে সংগীতাঙ্গনে সমানতালে কাজ করে যাচ্ছেন কনকচাঁপা। এখন অব্দি তিন হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। বর্তমানে প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে নিয়মিত কাজ করছেন তিনি। তার ৩৫টি একক গানের অ্যালবাম রয়েছে। চলচ্চিত্রের গান নিয়ে তার সর্বশেষ প্রকাশিত অ্যালবাম ‘আবার এসেছি ফিরে’।

 

কনকচাঁপার গাওয়া জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে অন্যতম কিছু হলো- ‘অনেক সাধনার পরে আমি পেলাম তোমার মন’, ‘তোমাকে চাই শুধু তোমাকে চাই’, ‘ভাল আছি ভাল থেকো’, ‘যে প্রেম স্বর্গ থেকে এসে জীবনে অমর হয়ে রয়’, ‘আমার নাকেরই ফুল বলে রে তুমি যে আমার’, ‘তোমায় দেখলে মনে হয়’, ‘আকাশ ছুঁয়েছে মাটিকে’, ‘অনন্ত প্রেম তুমি দাও আমাকে’, ‘তুমি আমার এমনই একজন’, ‘নীলাঞ্জনা নামে ডেকো না’ ইত্যাদি। তিনবার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’ জিতেছেন তিনি। পাশাপাশি ‘বাচসাস চলচ্চিত্র পুরস্কার’, ‘দর্শক ফোরাম পুরস্কার’ ১৯৯৮ এবং ১৯৯৯সহ আরো অনেক সম্মাননা পান তিনি। পৃথিবীতে আগমনের দিনটি বিশেষভাবে পালন করেন না কনকচাঁপা। জন্মদিনটি তিনি সবসময়ই পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে অন্যান্য স্বাভাবিক দিনের মতোই অতিবাহিত করেন। বাংলা সঙ্গগীতাঙ্গনে তার বিচরণ হোক আরো অনেক বছর, তার কণ্ঠ ধরে আসুক আরো জনপ্রিয় গান-এমন কামনাই সবার।

 

আরও পড়ুন



বাংলাদেশের খবর
  • ads
  • ads